আসসালামু আলাইকুম [YOU],
ডাউনলোড লিমিট
USER BADGE
DAILY DOWNLOAD LIMIT
WAITING TIME
T B D
NEED TO LIKE
Registered
1
20 (seconds)
2 (min)
Yes
Salafi and all others
2
15 (seconds)
1 (min)
Yes
Kitab Expert
4
15 (seconds)
1 (min)
Yes
Uploader
8
10 (seconds)
1 (min)
Yes
ILM Seeker
10
10 (seconds)
1 (min)
Yes
-
-
-
-
-
DONATION FACILITIES
Supporting Member
(5 days)
5
Instant
Instant
No
Benefactor
(15 days)
10
Instant
Instant
No
Dawah Initiatives
(1 month)
10
Instant...
You are using an out of date browser. It may not display this or other websites correctly.
You should upgrade or use an alternative browser.
You should upgrade or use an alternative browser.
Featured content
আমাদের ফোরামের ব্যাজ সমূহ
আসসালামু আলাইকুম [YOU]।
আমাদের বর্তমান ব্যাজসমূহ নিম্নে দেওয়া হলো:
১Staff member - ব্যাজটি শুধুমাত্র অফিশিয়াল স্টাফদের জন্য। এটা পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমরা যখন স্টাফ নিয়োগ পোস্ট করবো তখন যদি আপনি সিলেক্টেড হন তবেই এই ব্যাজটি পাবেন।
২ Moderator - এই ব্যাজটি শুধুমাত্র আমাদের সম্মানীত মডারেটরগণ পাবেন। একজন মডারেটর হতে হলে আপনাকে কমপক্ষে আমাদের যেকোনো ৩টি ব্যাজ অর্জন করতে হবে। এরপর আপনি আমাদের মডারেটর হওয়ার জন্য এপ্লাই করতে হবে। এক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য ম্যাসেজ...
মুওয়াত্ত্বা মালিক গ্রন্থের কতিপয় বৈশিষ্ট্য নিম্নে উল্লেখ করা হলো-
১. মাদীনাবাসীর বর্ণনার উপর ভিত্তি করে রচিত। মুওয়াত্ত্বা হলো ইমাম মালিক (রহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক সংকলিত সর্বপ্রথম হাদীস গ্রন্থ। এ গ্রন্থটি পুরোপুরিভাবে মাদীনাবাসীর বর্ণনার ভিত্তিতে সংকলন করা হয়েছে। গ্রন্থটির একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, প্রণয়নের জন্য ইমাম মালিক (রহিমাহুল্লাহ)-কে মাদীনার বাইরে যাতায়াত করতে হয়নি। মাদীনার লোকেরা নাবী এবং তাঁর সহাবীদের সবচেয়ে বেশি সান্নিধ্য লাভ: করেছেন। তাই তাদের থেকে তিনি খুব সহজেই হাদীস গ্রহণ...
১. অত্র গ্রন্থটি অনুসরণ করা হয়েছে মিসরের “দারু ইবনুল জাওযী", মাকতাবাতুস্ সফা" ও "দারুল হাদীস ” লাইব্রেরী থেকে প্রকাশিত হাদীস গ্রন্থসমূহের। আর সহযোগিতা নেয়া হয়েছে কম্পিউটার সফ্টওয়্যার মাকতাবাতুশ শামিলাহ্ থেকে ফুআদ 'আবদুল বাকী সংকলিত মুওয়াত্ত্বা মালিক-এর কপি অবলম্বনে।
২. অত্র গ্রন্থের উল্লেখযোগ্য বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ তুলে ধরা হয়েছে।
৩. ইমাম মালিক (রহিমাহুল্লাহ)-এর জীবনী সংযুক্ত করা হয়েছে। এতে আমরা তাঁর জন্ম, শৈশব, জ্ঞানার্জন, শিক্ষকবৃন্দ, ছাত্রগণ ও লিখিত গ্রন্থাবলী সম্পর্কে আলোচনা...
তাফসীর ইবনে কাসীর (Tafsir ibn Kathir) হচ্ছে কালজয়ী মুহাদ্দিস মুফাসসির যুগশ্রেষ্ঠ মনীষী আল্লামা হাফিয ইবন কাসীরের একনিষ্ঠ নিরলস সাধনা ও অক্লান্ত পরিশ্রমের অমৃত ফল। তাফসীর জগতে এ যে বহুল পঠিত সর্ববাদী সম্মত নির্ভরযোগ্য এক অনন্য সংযোজন ও অবিস্মরণীয় কীর্তি এতে সন্দেহ সংশয়ের কোন অবকাশ মাত্র নেই।
হাফিজ ইমাদুদ্দীন ইবন কাসীর এই প্রামাণ্য তথ্যবহুল, সর্বজন গৃহীত ও বিস্তারিত তাফসীরের মাধ্যমে আরবী ভাষাভাষীদের জন্য পবিত্র কালামের সত্যিকারের রূপরেখা অতি স্বচ্ছ সাবলীল ভাষায় তুলে ধরেছেন তাঁর ক্ষুরধার...
আহসানুল বায়ান মূল তাফসীরটি উর্দু ভাষায় শাইখ সালাহুদ্দিন ইউসুফ কর্তৃক রচিত। উর্দু তাফসীরটি সম্পাদনা করেছেন রাহীকুল মাখতুমের বিশ্বখ্যাত লেখক শাইখ সফিউর রহমান আল-মুবারকপুরী সহ বেশ কয়েকজন আলেম; যা পরবর্তীতে মদীনাস্থ বাদশা ফাহদ কুরআন প্রিন্টিং প্রেস কর্তৃক প্রিন্ট হয়েছে।
তাফসীরটি উর্দু ভাষায় প্রথম ছাপা হয়েছিল সুবিখ্যাত দারুস সালাম লাইব্রেরীর তত্ত্বাবধানে। তাদের কাছ থেকে বঙ্গানুবাদ ও ছাপার অনুমতি নিয়ে বাংলাভাষী সাউদী বিভিন্ন দাওয়া সেন্টারে কর্মরত বেশ কয়েকজন দা‘ঈ অনুবাদ কর্মটি সম্পন্ন করেন। তারা...
এই অনুবাদটির কিছু বৈশিষ্ট্য হচ্ছে যে, আল কুরআনের সহজ সরল অনুবাদের পাশাপাশি সংক্ষিপ্ত তাফসীর ও ব্যাখ্যা করা হয়েছে। প্রতিটি সূরার শুরুতে সূরার বৈশিষ্ট্য, শানে নূযুল ও সহীহ হাদীসের আলোকে ফযীলত এর বিস্তারিত বিবরণ দেয়া হয়েছে। কুরআনের তাফসীরকে সহজবোধ্য করার জন্য টীকা প্রদান ও এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা সুন্নাহ থেকে সংকলিত। আল্লাহ সুবহানা ওয়া তাআলার সিফাত সম্পর্কিত আয়াতগুলোর অবিকৃত অনুবাদ ও তাফসীরের ক্ষেত্রে হাদীসকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। এবং হাদীসগুলোর রেফারেন্সসহ বিস্তারিত ব্যাখ্যা বিদ্যমান।
সুনান আবূ দাউদ তাহক্বীককৃত (১ম খন্ড) - ইমাম আবূ দাউদ (রহ) সুনিপুণভাবে ফিকহী মাসআলা অনুসারে এই হাদীসগ্রন্থটিকে সাজিয়েছেন। তাইতো ফিক্বাহবিদগণ বলেন : “একজন মুজতাহিদের পক্ষে ফিক্বাহর মাসআলা বের করতে আল্লাহর কিতাব কুরআন মাজীদের পরে এই সুনান আবূ দাউদই যথেষ্ট। সুনান আবূ দাউদের অনেকগুলো অনুবাদ বাজারে রয়েছে। সেগুলো কোনটিই তাহক্বীককৃত (সহীহ ও যইফ আলাদকৃত) নয়। আল্লামা আলবানী একাডেমীকৃত এই গ্রন্থটি অনুবাদ করেছেন আহসানুল্লাহ বিন সানাউল্লাহ। বইটির তাহক্বীক নেয়া হয়েছে শায়খ নাসিরুদ্দীন আলবানী (রহ)-এর...
তাহক্বীক মিশকাতুল মাসাবীহ (১ম খন্ড) - তাহকীক করেছেন শাইখ নাসিরুদ্দীন আল-আলবানী (রাহি.)
মিশকাতুল মাসাবীহ উপমহাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় হাদীস সংকলন গ্রন্থ। এটি রচনা করেছেন আল্লামাহ ওয়ালীউদ্দীন মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ওরফে খতীব তাবরেযী। এটির ব্যাখ্যা গ্রন্থ “মিরআতুল মাফাতীহ শারহু মিশকাতুল মাসাবীহ”। যেটি রচনা করেছেন উবায়দুল্লাহ মুবারকপুরী। মিশকাতুল মাসাবীহ’র শরাহ গ্রন্থগুলো মধ্যে মিরকাত ও মিরআতুল মাফাতীহ সর্বাধিক জনপ্রিয়।
হাদীস গ্রন্থগুলোর মধ্যে জামি’ আত-তিরমিযী অন্যতম। হাদীস গ্রন্হ গুলোর মধ্যে জামি’ পর্যায়ের হাদীসগ্রন্থ দুটির মধ্যে এটি একটি এবং অন্যটি হলো সহীহ বুখারী। প্রখ্যাত ছয়টি হাদীস গ্রন্থগুলোর মধ্যে তৃতীয় স্থানের অধিকারী। এই হাদীস গ্রন্থটি সম্পর্কে ইমাম তিরমিযী বলেন, যার ঘরে এই কিতাবখানি থাকবে, মনে করা যাবে যে, তার ঘরে স্বয়ং নবী (সা) অবস্থান করছেন ও নিজে কথা বলছেন।
বইটি কয়েকটি প্রকাশনী হতে বাংলা ভাষায় অনূদিত ও প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু এর তাহক্বীক সহ প্রকাশ করা হয় নি। হুসাইন আল মাদানী প্রকাশনী এ...
আমাদের দেশে যারা এ সকল সহীহ হাদীস গ্রন্থের অনুবাদ প্রকাশ করছেন তাদের অনেকেই আবার হাদীসের অনুবাদে সহীহ হাদীসের বিপরীতে মাযহাবী মতামতকে অগ্রাধিকার দিতে গিয়ে অনুবাদে গড়মিল ও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন। নমুনাস্বরুপ মূল বুখারীতে ইমাম বুখারী কিতাবুস সাওমের পরে কিতাবুত তারাবীহ নামক একটি পর্ব রচনা করেছেন। অথচ ভারতীয় মূদ্রণের মধ্যে (? ‘কিতাবুত তারাবীহ’ কথাটি মুছে দিয়ে সেখানে কিয়ামুল লাইল বসানো হয়েছে । অবশ্য প্রকাশক পৃষ্ঠার একপাশে কিতাবুত তারাবীহ লিখে রেখেছেন। অথচ সকলেই এ ব্যাপারে একমত যে,এ...
যে ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সুন্নত অনুযায়ী চলার অভ্যাস করবে আল্লাহ তা'আলা তার অন্তরকে আলোকিত করে দেবেন এবং সে উভয় জগতে কল্যাণ লাভ করবে। সুতরাং আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তো এর গুণাবলি পড়ব, শুনব এবং নিজেরাও ঐরূপ গুণের অধিকারী হওয়ার চেষ্টা করব। তাহলে আমরা দুনিয়া ও আখেরাতে সম্মান ও সফলতার অধিকারী হতে পারব, ইনশা-আল্লাহ।
শামায়েলে তিরমিযীর কিছু যয়ীফ হাদীস রয়েছে। এ গ্রন্থে যয়ীফ হাদীসগুলো বাদ দিয়ে কেবল সহীহ হাদীসগুলো সংকলন করা হয়েছে। বুঝার সবিধার্থে প্রায় হাদীসের শুরুতে শিরোনাম দেয়া...
সিলসিলাতুল আহাদীসুস সহীহাহ - দুই খন্ড একত্রে এটি এক খুবই উপকারী কিতাব। আমাদের শাইখ যুগশ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দীন ইবনু নূহ আননাজাতি আল-আলবানী রহিমাহুল্লাহু তা'আলা রহমাতান ওয়াসিআতান-এর “সিলসিলাতুল আহাদীসুস সহীহাহ্”-এর সকল হাদীসের পূর্ণাঙ্গ মন এ কিতাবে একত্রিত করেছি। “সিলসিলাতুল আহাদীসুস সহীহাহ্” ”-এর সূচিপত্রে শাইখ রহিমাহুল্লাহ অধ্যায়গুলো যে ধারাক্রমে সাজিয়েছিলেন, আমি অধ্যায়গুলো সেভাবেই রেখেছি। যেন ইলমে হাদীসের অনভিজ্ঞদের জন্য তা পাঠ করা ও চিন্তা-গবেষণা করা সহজ হয় এবং আলোচক...
ইমাম বুখারী (র) সংকলিত সহীহ আল-বুখারীর পর তাঁর যে কিতাবটি মুসলিম সমাজে সমধিক পরিচিত ও সমাদৃত তা হচ্ছে ‘আল-আদাবুল মুফরাদ'। এটি মূলত শিষ্টাচার সংক্রান্ত হাদীসের সংকলন। ইসলামী সমাজে মু‘আমিলা'তথা পারস্পরিক সম্পর্কের উপর অত্যন্ত গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। ইসলামের প্রাথমিক যুগে ইসলামের ব্যাপক প্রচার ও প্রসারের মূলে মুসলমানদের এই গ্রন্থটিই কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে।
আল-কুরআনে ইরশাদ হয়েছে: “হে মু'মিনগণ! তোমরা যা কর না তা তোমরা কেন বল ? তোমরা যা কর না তোমাদের তা বলা আল্লাহ্ দৃষ্টিতে অতিশয়...
ইসলামে হাদিস বা হাদিস শাস্ত্র বলা হয় সেই জ্ঞান সম্পর্কে যার সাহায্যে রাসুল্লাহ (সঃ) এর কথা, কাজ, ইত্যাদি সম্পর্কে অগ্রগতি লাভ করা যায়। যে কাজ তার উপস্থিতিতে সম্পাদন করা হয়েছে, কিন্তু তিনি তা নিষেধ করেননি, এমন কাজও হাদিসের অন্তর্ভুক্ত। হাদিস শাস্ত্র দুই ভাগে বিভক্ত। এক ইলমে রওয়ায়েতুল হাদিস, দুই ইলমে দেবায়াতুল হাদিস। মুহাদ্দিসগন হাদিসের বিশুদ্ধতা নির্ধারনে যে বিশ্বস্তত ও আমানতদারীর পরিচয় দিয়েছেন, তা অতুলনীয়। কুরআন মজীদের বিশুদ্ধতা রক্ষার জন্য সাহাবায়ে কিরাম যেরুপ সতর্কতা অবলম্বন...
ফিতনার যুগে বসবাস করে যদি ফিতনা সম্পর্কেই না জানি, তবে নিজেকে সহ উম্মাহকে বাঁচানোর আশা ও কল্পনা তো সুদূর পরাহত। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা ফিতনা দেন মানুষকে পরীক্ষা করার জন্য। ভালোমন্দ যাচাই-বাছাই করার জন্য। মুমিনের গুনাহ মাফ করে মর্যাদা বুলন্দের জন্য।
কিন্তু এইসব কিছু পেতে হলে অবশ্যই নিজেকে রক্ষা করতে হবে আগে। কোনোমতেই ফিতনার মোহে পড়ে ঈমান হারা হওয়া চলবে না। আর ফিতনা থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হলোঃ আল্লাহর সাহায্য, রহমত ও তাওফীক। এর পরপরই আসবে শরীয়তের জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে আমল করে...
সরকার বা শাসক শ্রেণীও যেহেতু মানুষের বাইরে কেউ না, তাই তাদেরও কল্যাণকামীতা করা ইসলামের অন্যতম শেখানো আদব। তবে, তাদের উপদেশ দান, কোনো কাজের নাকচ ইত্যাদিতে বেশ কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হয়। কারণ সবার সাথে তো একই ধাঁচে কথা বলা যায় না।
যুগে যুগে বাতিলের নাম বিভিন্ন হয়েছে। কিন্তু তাদের চালচলন, বেশভুষা, মূলনীতি ইত্যাদি একই রয়ে গেছে। তাই, চিন্তাশীল যে কারো কাছে তাদের বিভ্রান্তি ধরা পড়ে খুব সহজেই।
এভাবেই, খারেজীরাও নিজেদের নাম, বেশভূষা পাল্টিয়েছে। কিন্তু তাদের কার্যক্রম একই রয়ে গেছে। সেইসব...
বইটিকে রাসূল (ﷺ) এর পবিত্র ও বরকতময় জীবনী, অনুসরণীয় উত্তম আদর্শ, দিবা-রাত্রির আমল, আচার-আচরণ, পবিত্র অভ্যাস ও স্বভাব, চারিত্রিক গুণাবলি এবং যুদ্ধ ও জিহাদ সমূহের উপর একটি বিশাল সংকলন হিসেবে গণ্য করা হয়। সেই সাথে এতে আরও রয়েছে কুরআনের তাফসীর, হাদীছের ব্যাখ্যা, হদীছের রাবীগণের সমালোচনা ও পর্যালোচনা। বের করা হয়েছে রাসূল (ﷺ) এর নবুওয়াতী জীবনকালে ঘটে যাওয়া ঘটনাপ্রবাহ থেকে বিভিন্ন ফিকহী মাসায়েল।
বিশুদ্ধ আক্বীদাহ্ মুসলিম জীবনের মূল ভিত্তি। তবে দূঃখজনক হলেও সত্য আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশের অধিকাংশ লোক আক্বীদাহ্ বিষয়ে তেমন জ্ঞান রাখেন না। ফলে গণক, জ্যোতিষী ও পীর-মাজার পন্থীরা অতি সহজে তাদেরকে ঈমান হারা করছে। এ পরিস্থিতিতে তাওহীদ পন্থিদের বসে থাকার কোনো সুযোগ নেই। কারণ তারা বসে থাকলে অধিকাংশ মানুষ শির্ক, বিদআত ও ইসলাম বিরোধী আক্বীদায় নিমজ্জিত হবে। তাই মানুষকে তাগুতের পূজা থেকে আল্লাহর ইবাদতের দিকে আহ্বান এবং তাওহীদ সম্পর্কে সচেতন করা ব্যতীত কোনো উপায় নেই ।
বলার অপেক্ষা রাখে না যে...
“নিশ্চয় প্রতিটি আত্মাকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।” আর পরকালীন জীবনের সুখ-শান্তি ও নিরাপত্তা নির্ভর করে জীবদ্দশায় কৃত আমলের উপর। তাই যতদিন এ দেহে প্রাণের স্পন্দন থাকে ততদিন আমল করার সময়। মৃত্যুর পরে সমস্ত আমলের পথ বন্ধ হয়ে যায়। তবে মানুষ জীবদ্দশায় যদি কিছু সদকায়ে জারিয়া করে যায় তবে কবরে থেকেও তার সওয়াব পেতে থাকে।
যারা জীবিত আছে তাদেরও কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য আছে মৃত মানুষের প্রতি। আমাদের সমাজে মৃত ও কবর সংক্রান্ত এমন কিছু কার্যক্রম ও রীতি-নীতি প্রচলিত রয়েছে যেগুলো ইসলামে আদৌ সমর্থন করে...