সংশয় নিরসন দুই হাত দিয়ে মূসাফা করার বিধান

Joined
Mar 24, 2024
Threads
31
Comments
42
Reactions
364
আমি অনেক আহলে হাদিসদের অনুসারী এবং সালাফে সালেহীনদের অনুসরণকারী ব্যক্তিদের কাছ থেকে একটি ভ্রান্ত ধারণা পেয়েছি, তারা মনে করে দুই হাত দিয়ে মুসাফা করা কোন হাদিস দ্বারা প্রমাণিত নয় বা সুন্নত বা মুস্তাহাব নয় । তারা একহাত দিয়েই মূসাফা করার জন্য সুন্নত মনে করে।
অথচ, ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহ , 'দুই হাত ধরে মুছাফা করার' হাদিস, টাইটেল সহ সংকলন করেছেন ।
হাদিসটি নিম্নে পেশ করা হল -


গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ৭৯/ অনুমতি প্রার্থনা (كتاب الاستئذان)
হাদিস নম্বরঃ ৬২৬৫


৭৯/২৮. দু’ হাত ধরে মুসাফাহা করা।

وَصَافَحَ حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ ابْنَ الْمُبَارَكِ بِيَدَيْهِ.

হাম্মাদ ইবনু যায়দ (রহ.) ইবনু মুবারকের সঙ্গে দু’হস্তে মুসাফাহ করেছেন।

৬২৬৫. ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার হাত তাঁর উভয় হস্তের মধ্যে রেখে আমাকে এমনভাবে তাশাহহুদ শিখিয়েছেন, যেভাবে তিনি আমাকে কুরআনের সূরা শিখাতেনঃ

التَّحِيَّاتُ للهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلٰى عِبَادِ اللهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُه وَرَسُوْلُه

এ সময় তিনি আমাদের মাঝেই অবস্থান করছিলেন। তারপর যখন তাঁর ওফাত হয়ে গেল, তখন থেকে আমরা السَّلاَمُ عَلَيْكَ এ স্থলে السَّلاَمُ عَلَى النَّبِيِّ পড়তে লাগলাম। [৮৩১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭১৮)

Narrated Ibn Mas`ud: Allah's Messenger (ﷺ) taught me the Tashah-hud as he taught me a Sura from the Qur'an, while my hand was between his hands. (Tashah-hud was) all the best compliments and the prayers and the good things are for Allah. Peace and Allah's Mercy and Blessings be on you, O Prophet! Peace be on us and on the pious slaves of Allah, I testify that none has the right to be worshipped but Allah, and I also testify that Muhammad is Allah's slave and His Apostle. (We used to recite this in the prayer) during the lifetime of the Prophet (ﷺ) , but when he had died, we used to say, "Peace be on the Prophet." بَاب الأَخْذِ بِالْيَدَيْنِ حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا سَيْفٌ، قَالَ سَمِعْتُ مُجَاهِدًا، يَقُولُ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَخْبَرَةَ أَبُو مَعْمَرٍ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ مَسْعُودٍ، يَقُولُ عَلَّمَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَكَفِّي بَيْنَ كَفَّيْهِ التَّشَهُّدَ، كَمَا يُعَلِّمُنِي السُّورَةَ مِنَ الْقُرْآنِ التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ، السَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ، السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ، أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ‏.‏ وَهْوَ بَيْنَ ظَهْرَانَيْنَا، فَلَمَّا قُبِضَ قُلْنَا السَّلاَمُ‏.‏ يَعْنِي عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم‏.‏
 
বাইআত করার সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসাফাহা করতেন। তাই শাইখ যুবায়ের আলী যাই রাহি. বলেছেন, একহাতে উত্তম আর দুই হাত দিয়ে মুসাফাহ জায়েয আছে কারণ হাদীসে এসেছে:-

গ্রন্থঃ আল-আদাবুল মুফরাদ
অধ্যায়ঃ হাঁচি ও তার জবাবদান
হাদিস নম্বরঃ ৯৮২


৪৪৫- হাতে চুমা দেয়া।

৯৮২। আবদুর রহমান ইবনে রাজীন (রহঃ) বলেন, আমরা একদা রাবাযা নামক স্থান দিয়ে যাচ্ছিলাম। আমাদের বলা হলো, সালামা ইবনুল আকওয়া (রাঃ) এখানে আছেন। আমরা তার নিকট এসে তাকে সালাম দিলাম। তিনি তার দুই হাত বের করে বলেন, এই দুই হাতে আমি আল্লাহর নবীর হাতে বায়আত হয়েছি। তিনি তার হৃষ্টপুষ্ট এক হাতের তালু বের করলেন, যা ছিল উটের পাঞ্জার মত। আমরা উঠে তার নিকট গিয়ে তাতে চুমা দিলাম।

হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan) আল-আদাবুল মুফরাদ | হাদিস: ৯৮২ [ ]
 
বাইআত করার সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসাফাহা করতেন। তাই শাইখ যুবায়ের আলী যাই রাহি. বলেছেন, একহাতে উত্তম আর দুই হাত দিয়ে মুসাফাহ জায়েয আছে কারণ হাদীসে এসেছে:-

গ্রন্থঃ আল-আদাবুল মুফরাদ
অধ্যায়ঃ হাঁচি ও তার জবাবদান
হাদিস নম্বরঃ ৯৮২


৪৪৫- হাতে চুমা দেয়া।

৯৮২। আবদুর রহমান ইবনে রাজীন (রহঃ) বলেন, আমরা একদা রাবাযা নামক স্থান দিয়ে যাচ্ছিলাম। আমাদের বলা হলো, সালামা ইবনুল আকওয়া (রাঃ) এখানে আছেন। আমরা তার নিকট এসে তাকে সালাম দিলাম। তিনি তার দুই হাত বের করে বলেন, এই দুই হাতে আমি আল্লাহর নবীর হাতে বায়আত হয়েছি। তিনি তার হৃষ্টপুষ্ট এক হাতের তালু বের করলেন, যা ছিল উটের পাঞ্জার মত। আমরা উঠে তার নিকট গিয়ে তাতে চুমা দিলাম।

হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan) ***
জী জাযাকাল্লাহ, ভাই আমি দুই হাত দিয়ে মুসাফা করার পক্ষেই দলিল দিয়েছি ।
 
জী জাযাকাল্লাহ, ভাই আমি দুই হাত দিয়ে মুসাফা করার পক্ষেই দলিল দিয়েছি ।
জাযাকাল্লাহু খয়রন। আমি জানি কিন্তু তোমার দলিল পূর্ণাঙ্গ ছিলনা। এটাকে অনেক আলেম বিভিন্ন ব্যাখ্যা করে কিন্তু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাইআত এর সময় মুসাফাহা করতেন এটা সাব্যস্ত। তাই আমি তোমার মতকেই শক্তিশালী করতে দিয়েছি। নিচে আরো শক্তিশালী করতে ভিডিও দিলাম:-

 
Last edited:
জাযাকাল্লাহু খয়রন। আমি জানি কিন্তু তোমার দলিল পূর্ণাঙ্গ ছিলনা। এটাকে অনেক আলেম বিভিন্ন ব্যাখ্যা করে কিন্তু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাইআত এর সময় দুই হাতে মুসাফাহা করতেন এটা সাব্যস্ত। তাই আমি তোমার মতকেই শক্তিশালী করতে দিয়েছি। নিচে আরো শক্তিশালী করতে ভিডিও দিলাম:-

জাযাকাল্লাহু খাইরান ফিদ দারাইন, জী ভাই আল্লাহ্ আপনাকে আরও উপকারী জ্ঞান দান করুন , জী দলিল আরো সুস্পষ্ট ও শক্তিশালী হলো। তবে ইমাম বুখারী রহমাতুল্লাহি আলাইহ্ এর দলিলকে অন্যভাবে ব্যাখ্যা করার বা বিকৃত করার কোনো সুযোগ নাই সেটা কোনো আলেমই বলুক না কেনো । কারন, ইমাম বুখারী (রহ:) সুস্পষ্ট হাদিসের টাইটেল এনেছেন 'দু’ হাত ধরে মুসাফাহা করা ' । বারাকাল্লাহু ফিক।
 
জাযাকাল্লাহু খাইরান ফিদ দারাইন, জী ভাই আল্লাহ্ আপনাকে আরও উপকারী জ্ঞান দান করুন , জী দলিল আরো সুস্পষ্ট ও শক্তিশালী হলো। তবে ইমাম বুখারী রহমাতুল্লাহি আলাইহ্ এর দলিলকে অন্যভাবে ব্যাখ্যা করার বা বিকৃত করার কোনো সুযোগ নাই সেটা কোনো আলেমই বলুক না কেনো । কারন, ইমাম বুখারী (রহ:) সুস্পষ্ট হাদিসের টাইটেল এনেছেন 'দু’ হাত ধরে মুসাফাহা করা ' । বারাকাল্লাহু ফিক।
জাযাকাল্লাহু খয়রন প্রিয় ভাই। আলেমরা অলরেডি এটার উত্তর দিয়েছে আপনি চাইলে ভিডিও ও মুসাফাহা সম্পর্কে বই দেখতে পারেন । তবে যাই হোক যেহেতু আমিও মানি দুই হাতে মুসাফাহা করা জায়েয আছে কিন্তু একহাতে উত্তম এবং করা সবচেয়ে ভালো তাই কোন সমস্যা নেই। আমার জন্য দোয়া করবেন।

 
জাযাকাল্লাহু খয়রন প্রিয় ভাই। আলেমরা অলরেডি এটার উত্তর দিয়েছে আপনি চাইলে ভিডিও ও মুসাফাহা সম্পর্কে বই দেখতে পারেন । তবে যাই হোক যেহেতু আমিও মানি দুই হাতে মুসাফাহা করা জায়েয আছে কিন্তু একহাতে উত্তম এবং করা সবচেয়ে ভালো তাই কোন সমস্যা নেই। আমার জন্য দোয়া করবেন।


জাযাকাল্লাহু খয়রন প্রিয় ভাই। আলেমরা অলরেডি এটার উত্তর দিয়েছে আপনি চাইলে ভিডিও ও মুসাফাহা সম্পর্কে বই দেখতে পারেন । তবে যাই হোক যেহেতু আমিও মানি দুই হাতে মুসাফাহা করা জায়েয আছে কিন্তু একহাতে উত্তম এবং করা সবচেয়ে ভালো তাই কোন সমস্যা নেই। আমার জন্য দোয়া করবেন।

মাশাআল্লাহ, বারাকাল্লাহু ফী ইলমিকা । আপনার একটু দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই । আপনার মূল্যবান সময় কিছুটা নিম্নোক্ত ভিডিওটির মাধ্যমে নিতে চাই, বিষেশত 2:57 min থেকে । যেখানে সমস্ত কিছুই ডিফেন্ড হয়ে যায় । আমার জন্য দুয়ার দরখাস্ত রইল । জাযাকাল্লাহু খইরন...

 
মাশাআল্লাহ, বারাকাল্লাহু ফী ইলমিকা । আপনার একটু দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই । আপনার মূল্যবান সময় কিছুটা নিম্নোক্ত ভিডিওটির মাধ্যমে নিতে চাই, বিষেশত 2:57 min থেকে । যেখানে সমস্ত কিছুই ডিফেন্ড হয়ে যায় । আমার জন্য দুয়ার দরখাস্ত রইল । জাযাকাল্লাহু খইরন...

আল্লাহ আপনার প্রচেষ্টাকে কবুল করুন। আমীন।

কিছুই ডিফেন্ড হয় না। কারণ ইন্জিনিয়ার মুহাম্মদ আলী মির্জা মু্র্খ ছাড়া আর কিছুই নয়। সে শুধু উর্দু পরে কিন্তু আরবি দেখে না। ইমাম বুখারী বাব নিয়ে এসেছে " بَاب الأَخْذِ بِالْيَدَيْنِ " অর্থাৎ দুই হাত দিয়ে ধরা। এখানে বাবে ইমাম বুখারী বলেন নি যে দুই হাত দিয়ে মুসাফাহা করা বা যে রূপ মির্জা সাহেব বলছেন যে " দুই হাতে মুসাফাহ করার বৈধতা"" অথচ বাবের মধ্যে"صفحة" এর ওজনে কোন শব্দ নেই অর্থাৎ বাবের মধ্যে মুসাফাহ শব্দ টুকু নেই। দ্বিতীয়ত তিনি হাম্মাদের বক্তব্য নিয়ে এসেছে এবং তারপর একটি হাদীস। ইমাম বুখারী রহ অনেক সময় এই সব বক্তব্য নিয়ে এসে দিয়ে হাদীস দিয়ে খন্ডন করেন । আপনার কথা তখন ঠিক হতো যখন ইমাম বুখারী রহ বাবের মধ্যে মুসাফাহ শব্দ যোগ করতেন কিন্তু তিনি তা করেননি। আমার মনে হয় আমার দেওয়া ভিডিও ভালো ভাবে দেখেন নি। এই মির্জা ইন্জিনিয়ার বলেছেন যে, ইমাম বুখারী দুই হাতে মুসাফাহা করার অধ্যায় প্রনয়ন করেছেন কিন্তু বাবে গিয়ে দেখুন তো সেখানে কি শব্দ আছে আরবিতে? যারা উত্তর দিয়েছেন এই হাদীসের তারা বলেছেন যে, ইমাম বুখারী রহ শুধু " দুই হাত দিয়ে ধরার কথা বলেছেন যেমন আমরাও একজন আরেকজনের দুই হাত ধরে মুসাফা করিনা বরং কোন কিছু গুরুত্বেরল সাথে বোঝায় ও শিখায়। তাই আপনার উচিত বাব গিয়ে আরবি দেখা।

সতর্কতা:- এই মূর্খ মির্জা ইন্জিনিয়ার প্রতি যদিও আমার অন্তরে কিছু ভালোবাসা আছে কিন্তু আপনি যদি তার ভুলগুলো ধরতে না পারেন তাহলে তার ভিডিও দেখবেন না কারণ আহলে হাদীস আলেমদের ঐক্যমত আছে এই ব্যক্তি মূর্খ। মুহাম্মদ আলী মির্জা সাহাবাদের ব্যাপারে বিষ ঢেলে দেয় এবং অসম্মান করে। যদি কখনও ভুলের শিকার হন এই মূর্খ কে দেখে তাহলে iPlus TV ikhtilaf Ka Hal

I plus tv তে এর জবাব দেখতে পারেন। আমাদের হানাফীরা যেমন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ব্যপারে বাড়াবাড়ি করে ভালোবাসার নাম দিয়ে মিলাদের বিদআত করে তেমনি এই মির্জা আহলে বিইতের নাম ভাঙিয়ে তাদের ভালোবাসায় বাড়াবাড়ি করে। আহলে হাদীস হলো কখনো বাড়াবাড়ি করে না। তাই তার থেকে সাবধান। যদি তার কোন কথায় সাহাবাদের উপরে মন খারাপ হয় তাহলে আমায় বলবেন। আমি আপনাকে তার জবাব দিয়ে দেব।জাঝাকাল্লাহু খয়রন।
 
Last edited:
Back
Top