Altruistic
Uploader
Salafi User
- Joined
- Nov 17, 2023
- Threads
- 426
- Comments
- 551
- Solutions
- 1
- Reactions
- 13,868
- Thread Author
- #1
আব্দুল্লাহ একবার আসরের সালাতে দেরিতে মসজিদে পৌঁছে সামনের কাতার পরিপূর্ণ পেল। সে সামনের কাতার থেকে কাউকে টেনে নিয়ে আসার কারণে গন্ডগোল হতে পারে অনুভব করে পিছনের কাতারে একাকি দাঁড়িয়ে নামাজ পড়লো। সালাত শেষে সে আবার দাঁড়িয়ে ৪ রাকাত সালাত পড়লো। তার সালাত শেষ হতে আব্দুর রহমান বললেন:-
আব্দুর রহমান:-আসসালামুয়ালাইকুম ভাই। এটা কিসের সালাত আদায় করলেন?
আব্দুল্লাহ:- ওয়ালাইকুমুস সালাম ও রহমাতুল্লাহ। আমি আসরের সালাত পুনরায় পড়লাম কারণ, পিছনের কাতারে একাকি সালাত হয় না। প্রয়োজনে কাতার থেকে লোক টানাটানি করা যায় যেমন:- রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন সাহাবি কে বাম থেকে টেনে পিছন দিক থেকে ডান দিকে নিয়ে গেছেন, আবার কখনো দুইজন সালাত পড়ার সময় অন্যজন এসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পাশে দাঁড়িয়ে গেলে তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুইজনের হাত ধরে পিছনে ঠেলে দিয়েছেন; অনুরূপ উবাই ইবনু কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু ক্বায়স ইবনু ’উবাদ (রহঃ) কে প্রথম কাতার থেকে টেনে এনেছিলেন। এভাবে প্রয়োজনে টানাটানি করা যায় কিন্তু আমি গন্ডগোল বাঁধার আশংকায় না টেনে একাকি দাঁড়িয়ে যায়। যেহেতু শেষ পর্যন্ত এককিই ছিলাম তাই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নির্দেশ মত আবার সালাত পুনরায় পড়লাম।
আব্দুর রহমান:- পুনরায় পড়তে হবে কেন ভাই? আপনি এখানে বাধ্য হয়ে পড়েছেন। আপনার সাধ্যে এর চেয়ে বেশি করার ছিল না। সেহেতু এটা আপনার জন্য ওজর এবং ছাড়। আল্লাহ সাধ্যের বাহিরে কাউকে ধরবেন না।
আব্দুল্লাহ:- আপনি যেই মতামত তুলে ধরলেন তার উপর আমার অন্তর প্রশান্ত হয় না এবং এটি একটি দুর্বল মতামত। ওজর ও বাধ্যবাধকতার কারনেই পিছনের কাতারে একাকি সালাত শুদ্ধ হয়ে যায় না কারণ:- কোন বিষয় সম্পর্কে না জানা থাকাও একটি ওজর ও বাধ্যবাধকতা। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে সাহাবীকে পিছনের কাতারে একাকি সালাত আদায় করার জন্য পুনরায় সালাত পড়তে বলেছিলেন তার কাছেও ওজর ছিল। সেই সহাবী জানতেন না কিন্তু তবুও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ওজর গ্রহণ না করে আবার পড়তে বলেছেন। তাই ওজরের অযুহাত দূর্বল। আবার আপনার মতামতে আপনি আম আয়াত ও হাদীসের উপর আমল করছেন, যখন কিনা বিকল্প আছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, পিছনের কাতারে একাকি সালাত পরলে আবার সালাত পরে নাও ; কিন্তু আপনার মতামত বিকল্প না নিয়ে সাধ্যের বাহিরের অযুহাত নিয়েছে। এটাতো এরূপ হয়ে গেল যে, অযুর পানি না পাওয়া গেলে বিকল্প হিসেবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তায়াম্মুম করতে বলেছেন; কিন্তু তায়াম্মুম না করে কেউ সাধ্যের বাইরে হওয়ার অভিযোগ দিয়ে বিকল্প ব্যবহার না করে অযু ছাড়াই সালত পড়ে নিল। অর্থাৎ আপনার মতামত দূর্বল এবং আমার অন্তরে প্রশান্তি আসে না। আমাদের উচিত হলো যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাতলে দেওয়া বিকল্পের অনুসরণ করা।
হাফেজ যুবাইর আলী যাঈ রহি ও বলেছেন যে, পিছনের কাতারে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একাকি সালাত আদায় করলে আবার পড়ে নিবে কারণ দলিল এটাই বলে এবং বিস্তারিত আলোচনা করেছেন ( মাসিক শাহাদাত, জুন ২০০০ ইং, জুলাই ২০০১,সেপ্টেম্বর ২০০৪, বিস্তারিত দেখুন ফতোয়ায়ে ইলমিয়া)
আব্দুর রহমান:- যদি পিছনের কাতারে একাকি সালাত আদায় করলে সালাত বাতিল হয় তাহলে রাকাত বা আংশিক সালাতও বাতিল কথা নয় কি?
আব্দুল্লাহ:- না কারণ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এখানে সালাতের কথা বলেছেন। তিনি রাকাতের কথা বলেন নি। আবার আমরা দেখি যে, আবু বাকরাহ রাযিয়াল্লাহু আনহু কাতারের পিছনে রুকু করে কাতারে পৌঁছেছিলেন কিন্তু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সালাত বাতিল করেন নি, আবার ইবনে আব্বাস কে পার্শ পরিবর্তন করার সময় অল্পসময় কাতারে ছিলেন না কিন্তু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সালাত বাতিল করেন নি; কিন্তু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পিছনের কাতারে শেষ পর্যন্ত একাকি সালাত আদায়কারীর সালাত বাতিল করেছেন।
সুতরাং হাদীসের অনুকূল ও সমন্বয়ে শক্তিশালী মতামত হলো যে, শেষ পর্যন্ত একাকি সালাত আদায় করলে সালাত বাতিল হয়ে যাবে এবং এই মতের উপর আমার অন্তর প্রশান্ত। আপনার অন্তর যদি আপনার পেশ করা মতের উপর দালিলিক দিক থেকে প্রশান্ত থাকে তাহলে আপনি ফলো করুন। কিন্তু আপনার পেশ করা মতের উপর আমার অন্তর প্রশান্ত হয় না। তাই বিষয়টি আবার ভেবে দেখিয়েন।
আব্দুর রহমান:- ইনশাআল্লাহ অবশ্যই আমি ভালোভাবে পর্যালোচনা করবো। আপনার সাথে কথা বলে ভালো লাগলো। জাযাকাল্লাহু খয়রন।
আব্দুল্লাহ:- আবার সাক্ষাৎ হবে আল্লাহ যদি চাহে। আল্লাহ আপনার জীবন কবুল করুক তার সন্তুষ্টি পূর্ণ কাজে। আমিন।
আব্দুর রহমান:-আসসালামুয়ালাইকুম ভাই। এটা কিসের সালাত আদায় করলেন?
আব্দুল্লাহ:- ওয়ালাইকুমুস সালাম ও রহমাতুল্লাহ। আমি আসরের সালাত পুনরায় পড়লাম কারণ, পিছনের কাতারে একাকি সালাত হয় না। প্রয়োজনে কাতার থেকে লোক টানাটানি করা যায় যেমন:- রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন সাহাবি কে বাম থেকে টেনে পিছন দিক থেকে ডান দিকে নিয়ে গেছেন, আবার কখনো দুইজন সালাত পড়ার সময় অন্যজন এসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পাশে দাঁড়িয়ে গেলে তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুইজনের হাত ধরে পিছনে ঠেলে দিয়েছেন; অনুরূপ উবাই ইবনু কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু ক্বায়স ইবনু ’উবাদ (রহঃ) কে প্রথম কাতার থেকে টেনে এনেছিলেন। এভাবে প্রয়োজনে টানাটানি করা যায় কিন্তু আমি গন্ডগোল বাঁধার আশংকায় না টেনে একাকি দাঁড়িয়ে যায়। যেহেতু শেষ পর্যন্ত এককিই ছিলাম তাই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নির্দেশ মত আবার সালাত পুনরায় পড়লাম।
আব্দুর রহমান:- পুনরায় পড়তে হবে কেন ভাই? আপনি এখানে বাধ্য হয়ে পড়েছেন। আপনার সাধ্যে এর চেয়ে বেশি করার ছিল না। সেহেতু এটা আপনার জন্য ওজর এবং ছাড়। আল্লাহ সাধ্যের বাহিরে কাউকে ধরবেন না।
আব্দুল্লাহ:- আপনি যেই মতামত তুলে ধরলেন তার উপর আমার অন্তর প্রশান্ত হয় না এবং এটি একটি দুর্বল মতামত। ওজর ও বাধ্যবাধকতার কারনেই পিছনের কাতারে একাকি সালাত শুদ্ধ হয়ে যায় না কারণ:- কোন বিষয় সম্পর্কে না জানা থাকাও একটি ওজর ও বাধ্যবাধকতা। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে সাহাবীকে পিছনের কাতারে একাকি সালাত আদায় করার জন্য পুনরায় সালাত পড়তে বলেছিলেন তার কাছেও ওজর ছিল। সেই সহাবী জানতেন না কিন্তু তবুও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ওজর গ্রহণ না করে আবার পড়তে বলেছেন। তাই ওজরের অযুহাত দূর্বল। আবার আপনার মতামতে আপনি আম আয়াত ও হাদীসের উপর আমল করছেন, যখন কিনা বিকল্প আছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, পিছনের কাতারে একাকি সালাত পরলে আবার সালাত পরে নাও ; কিন্তু আপনার মতামত বিকল্প না নিয়ে সাধ্যের বাহিরের অযুহাত নিয়েছে। এটাতো এরূপ হয়ে গেল যে, অযুর পানি না পাওয়া গেলে বিকল্প হিসেবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তায়াম্মুম করতে বলেছেন; কিন্তু তায়াম্মুম না করে কেউ সাধ্যের বাইরে হওয়ার অভিযোগ দিয়ে বিকল্প ব্যবহার না করে অযু ছাড়াই সালত পড়ে নিল। অর্থাৎ আপনার মতামত দূর্বল এবং আমার অন্তরে প্রশান্তি আসে না। আমাদের উচিত হলো যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাতলে দেওয়া বিকল্পের অনুসরণ করা।
হাফেজ যুবাইর আলী যাঈ রহি ও বলেছেন যে, পিছনের কাতারে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একাকি সালাত আদায় করলে আবার পড়ে নিবে কারণ দলিল এটাই বলে এবং বিস্তারিত আলোচনা করেছেন ( মাসিক শাহাদাত, জুন ২০০০ ইং, জুলাই ২০০১,সেপ্টেম্বর ২০০৪, বিস্তারিত দেখুন ফতোয়ায়ে ইলমিয়া)
আব্দুর রহমান:- যদি পিছনের কাতারে একাকি সালাত আদায় করলে সালাত বাতিল হয় তাহলে রাকাত বা আংশিক সালাতও বাতিল কথা নয় কি?
আব্দুল্লাহ:- না কারণ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এখানে সালাতের কথা বলেছেন। তিনি রাকাতের কথা বলেন নি। আবার আমরা দেখি যে, আবু বাকরাহ রাযিয়াল্লাহু আনহু কাতারের পিছনে রুকু করে কাতারে পৌঁছেছিলেন কিন্তু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সালাত বাতিল করেন নি, আবার ইবনে আব্বাস কে পার্শ পরিবর্তন করার সময় অল্পসময় কাতারে ছিলেন না কিন্তু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সালাত বাতিল করেন নি; কিন্তু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পিছনের কাতারে শেষ পর্যন্ত একাকি সালাত আদায়কারীর সালাত বাতিল করেছেন।
সুতরাং হাদীসের অনুকূল ও সমন্বয়ে শক্তিশালী মতামত হলো যে, শেষ পর্যন্ত একাকি সালাত আদায় করলে সালাত বাতিল হয়ে যাবে এবং এই মতের উপর আমার অন্তর প্রশান্ত। আপনার অন্তর যদি আপনার পেশ করা মতের উপর দালিলিক দিক থেকে প্রশান্ত থাকে তাহলে আপনি ফলো করুন। কিন্তু আপনার পেশ করা মতের উপর আমার অন্তর প্রশান্ত হয় না। তাই বিষয়টি আবার ভেবে দেখিয়েন।
আব্দুর রহমান:- ইনশাআল্লাহ অবশ্যই আমি ভালোভাবে পর্যালোচনা করবো। আপনার সাথে কথা বলে ভালো লাগলো। জাযাকাল্লাহু খয়রন।
আব্দুল্লাহ:- আবার সাক্ষাৎ হবে আল্লাহ যদি চাহে। আল্লাহ আপনার জীবন কবুল করুক তার সন্তুষ্টি পূর্ণ কাজে। আমিন।