Salafi
Salafi User
- Joined
- Nov 27, 2025
- Threads
- 18
- Comments
- 50
- Reactions
- 195
- Thread Author
- #1
হিজাবের বিধান শুধুমাত্র নবী সাল্লালাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম-এর স্ত্রীদের জন্যই খাস নয়। সকল বিশ্বাসী নারীদের জন্যই। তার প্রমাণ সহীহ হাদিস থেকে-
(১) সহীহ প্রমাণ ১ — "নবী সাল্লালাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম পর্দার আড়াল থেকে এক নারীর সাথে কথা বললেন।" সহীহ আল-বুখারী হাদিস নম্বর: Sahih al-Bukhari 6249
ঘটনা:
এক ব্যক্তি রাসুল সাল্লালাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম–এর কাছে একটি উপহার পাঠাল। তবে যিনি উপহারটি আনলেন তিনি পর্দার আড়াল থেকে কথা বললেন, এবং তাঁর চেহারা দেখা যাচ্ছিল না।
রাসুল সাল্লালাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম বুঝতে পারলেন না—তিনি পুরুষ নাকি নারী। কারন উনাকে কেউ উপহার দিলে, সে ব্যাক্তি পুরুষ হলে উনি তার সাথে মুসাফাহ করতেন, কিন্তু মহিলা হলে করতেন না।
রাসুল সাল্লালাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন: “আমি তোমাকে চিনতে পারছি না, তুমি কি পুরুষ নাকি নারী?”
তখন তিনি উত্তর দিলেন— “আমি একজন নারী।”
(২) সহীহ প্রমাণ ২ — "নবী সাল্লালাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম কোনো নারীর সাথে একান্তে সাক্ষাৎ না করে “পর্দার আড়াল” পছন্দ করতেন।" সহীহ বুখারী — 5232
রাসূল সাল্লালাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “নারীর সাথে একাকী হওয়া টাকে আমি সবচেয়ে বেশি ভয় করি।”
এবং অন্যান্য হাদীসে এসেছে—
তিনি নারীদের সাথে সরাসরি দেখা ছাড়া কথা বলতেন, অর্থাৎ “মাওয়ারা আল-হিজাব” (পর্দার আড়াল) অবস্থায়।
(৩) সহীহ প্রমাণ ৩ — "হিজাব নাযিল হওয়ার পর আনসারী নারীরা মাথায় কাক বসার মতো কালো আবরণে বের হতেন।" সুনান আবু দাউদ — 4101
যখন হিজাবের আয়াত নাযিল হলো, তখন আনসারী মহিলারা মোটা কালো ওড়না/খিমার দিয়ে নিজেদের এমনভাবে ঢেকে নিতেন— “…যেন মনে হতো তাদের মাথায় কাক বসে আছে।”
অর্থাৎ—ঢাকা ছিল গভীর, গাঢ়, সম্পূর্ণ, এবং দৃষ্টিনন্দনভাবে শালীন।
(৪) সহীহ প্রমাণ ৪ — “নারীদের জিলবাব না থাকলে অন্য নারীরা কাপড় ধার দিতেন।” সহীহ মুসলিম —890
নবী সাল্লালাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম ঈদের নামাজে সব নারীকে—
(ক) হায়েজ হওয়া নারী,
(খ) পর্দানশীল কুমারী মেয়ে,
(গ) সাধারণ নারী—
সবাইকে উপস্থিত হতে বলতেন।
তখন উম্মে আতিয়্যা জিজ্ঞেস করলেন: “যার জেলবাব নেই, সে কি করবে?”
নবী সাল্লালাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম উত্তর দিলেন: “তার বোন তাকে নিজের জেলবাব থেকে ধার দেবে।”
-এগুলো সমস্ত সাধারণ নারীদের জন্যই পর্দা। আর তা না হলে নিশ্চয় নিজের স্ত্রীদের জন্য নবী সাল্লালাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম কখনো এই কথা বলতেন না, যে, — “নারীর সাথে একাকী হওয়া টাকে আমি সবচেয়ে বেশি ভয় করি।”!
[যারা বলে যে হিজাবের বিধান শুধু নবী সাল্লালাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম-এর স্ত্রীদের জন্যই খাস, সাধারণ নারীদের জন্য কোনো পর্দার বিধান নেই। - তাদেরকে এই যুক্তি গুলো দেখাতে পারেন।]
(১) সহীহ প্রমাণ ১ — "নবী সাল্লালাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম পর্দার আড়াল থেকে এক নারীর সাথে কথা বললেন।" সহীহ আল-বুখারী হাদিস নম্বর: Sahih al-Bukhari 6249
ঘটনা:
এক ব্যক্তি রাসুল সাল্লালাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম–এর কাছে একটি উপহার পাঠাল। তবে যিনি উপহারটি আনলেন তিনি পর্দার আড়াল থেকে কথা বললেন, এবং তাঁর চেহারা দেখা যাচ্ছিল না।
রাসুল সাল্লালাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম বুঝতে পারলেন না—তিনি পুরুষ নাকি নারী। কারন উনাকে কেউ উপহার দিলে, সে ব্যাক্তি পুরুষ হলে উনি তার সাথে মুসাফাহ করতেন, কিন্তু মহিলা হলে করতেন না।
রাসুল সাল্লালাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন: “আমি তোমাকে চিনতে পারছি না, তুমি কি পুরুষ নাকি নারী?”
তখন তিনি উত্তর দিলেন— “আমি একজন নারী।”
(২) সহীহ প্রমাণ ২ — "নবী সাল্লালাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম কোনো নারীর সাথে একান্তে সাক্ষাৎ না করে “পর্দার আড়াল” পছন্দ করতেন।" সহীহ বুখারী — 5232
রাসূল সাল্লালাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “নারীর সাথে একাকী হওয়া টাকে আমি সবচেয়ে বেশি ভয় করি।”
এবং অন্যান্য হাদীসে এসেছে—
তিনি নারীদের সাথে সরাসরি দেখা ছাড়া কথা বলতেন, অর্থাৎ “মাওয়ারা আল-হিজাব” (পর্দার আড়াল) অবস্থায়।
(৩) সহীহ প্রমাণ ৩ — "হিজাব নাযিল হওয়ার পর আনসারী নারীরা মাথায় কাক বসার মতো কালো আবরণে বের হতেন।" সুনান আবু দাউদ — 4101
যখন হিজাবের আয়াত নাযিল হলো, তখন আনসারী মহিলারা মোটা কালো ওড়না/খিমার দিয়ে নিজেদের এমনভাবে ঢেকে নিতেন— “…যেন মনে হতো তাদের মাথায় কাক বসে আছে।”
অর্থাৎ—ঢাকা ছিল গভীর, গাঢ়, সম্পূর্ণ, এবং দৃষ্টিনন্দনভাবে শালীন।
(৪) সহীহ প্রমাণ ৪ — “নারীদের জিলবাব না থাকলে অন্য নারীরা কাপড় ধার দিতেন।” সহীহ মুসলিম —890
নবী সাল্লালাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম ঈদের নামাজে সব নারীকে—
(ক) হায়েজ হওয়া নারী,
(খ) পর্দানশীল কুমারী মেয়ে,
(গ) সাধারণ নারী—
সবাইকে উপস্থিত হতে বলতেন।
তখন উম্মে আতিয়্যা জিজ্ঞেস করলেন: “যার জেলবাব নেই, সে কি করবে?”
নবী সাল্লালাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম উত্তর দিলেন: “তার বোন তাকে নিজের জেলবাব থেকে ধার দেবে।”
-এগুলো সমস্ত সাধারণ নারীদের জন্যই পর্দা। আর তা না হলে নিশ্চয় নিজের স্ত্রীদের জন্য নবী সাল্লালাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম কখনো এই কথা বলতেন না, যে, — “নারীর সাথে একাকী হওয়া টাকে আমি সবচেয়ে বেশি ভয় করি।”!
[যারা বলে যে হিজাবের বিধান শুধু নবী সাল্লালাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম-এর স্ত্রীদের জন্যই খাস, সাধারণ নারীদের জন্য কোনো পর্দার বিধান নেই। - তাদেরকে এই যুক্তি গুলো দেখাতে পারেন।]