Altruistic
Uploader
Salafi User
- Joined
- Nov 17, 2023
- Threads
- 410
- Comments
- 527
- Solutions
- 1
- Reactions
- 13,410
- Thread Author
- #1
একজন ব্যক্তিকে ভোট নিয়ে উপদেশ
একজন ব্যাক্তি:- বলে আমি ভোট দিব না এরূপ কুফরীর তন্ত্রে। যেখানে এমন এমন সমস্যা।
আমার উপদেশ:- এটাই ঠিক। যদিও ভোট দেওয়াকে আমি জায়েয মনে করি এবং কেউ যদি দেয় তাহলে নিয়ত ঠিক রাখতে হবে। কিন্তু আমার মনে হয় না জামাত ও বিএনপির মধ্যে কোন পার্থক্য আছে শুধু চান্দাবাজি ছাড়া। বিএনপি একটু চান্দা খায় তবে বিএনপিও ইসলাম বিদ্বেষী নয়। এখন কেউ ইসলামী নিয়মে দেশ চালাতে পারবে না। যদি যুক্তরাষ্ট্র আমাদের সেকসন দেয় তাহলে আমাদের অবস্থা ইরান থেকেও খারাপ হবে তখন মানুষই সরকার পাল্টে দিবে। তবে কেউ যদি ভোট দেয় তাকে হারাম বলবো না। কারণ:- নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জীবনীতে এর কিছু প্রমাণ পাওয়া যায় যেমন:- (১) হুদায়বিয়ার সন্ধি। একজন মুসলমান কে সুরক্ষা দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব কিন্তু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুদায়বিয়ার সন্ধির সময় একজন নির্যাতিত মুসলিম কে ফিরিয়ে দিয়েছেন এবং আরও অনেক কিছু মেনে নিয়েছে যা মুসলমানদের জন্য ক্ষতিকর ছিল কিন্তু এই ক্ষতির মধ্যে ইসলামের বড় স্বার্থ ছিল তাই নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাফেরদের সাথে আপোষ করেছিলেন।
তাই এরূপ ক্ষতি দূর করার লক্ষ্যে ইসলামের বিহত স্বার্থে দিতে পারেন।
অনুরূপ নিরাপত্তার অযুহাতে ভোট দেওয়া জায়েয আছে কিন্তু ভোট না দেওয়া উত্তম যদি দেখেন ইসলামের বড় কোন ক্ষতি হবে না যেমন বর্তমান ভোট। যদি এখানে একদিকে মুসলিম ও অপরদিকে ইসলাম বিদ্বেষী থাকতো তাহলে ভোট দেওয়া অনেক প্রয়োজনীয় এবং কেউ কেউ ওয়াজিব বলেছেন। কিন্তু আমি এখানেও জায়েয বলি এবং কারো ঈমান যদি এতো মজবুত হয় যে শহীদ হবে তাও কুফরী শক্তির সাথে আপোষ করবে না তাহলে আমি তাকে গুনাহ গার বলতে পারি না বরং সর্বোচ্চ উত্তম এবং সর্বনিম্ন খেলাফে সুন্নাত কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুদায়বিয়তে ইসলামের বিহত্তোর স্বার্থে স্বল্প ক্ষতিকে মেনে নিয়েছে কিন্তু এই মুসলিম মানছে না। তাই এটা খেলাফে সুন্নাত সর্বনিম্ন কিন্তু ওয়াজিব বা কবিরা গুনাহ নয়। তাই আমি এরূপ ক্ষেত্রকেউ ওয়াজিব বলবো না। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে দুই পক্ষই ইসলাম বিদ্বেষী নয় কিন্তু জামাত একটু ভালো আর বিএনপি একটু ক্ষতিকর যদিও তাতে ইসলামের উপর বেশি প্রভাব ফেলবে না কারণ আমরা আওয়ামী লীগ আমলে দেখেছি যে ইসলামের প্রসারই হয়েছে এবং বিএনপি আওয়ামীলীগ থেকে খারাপ নয় । এছাড়াও এই সুদি অর্থ নীতির কারণে জামায়াতো দেশকে ইসলামী করতে পারবে না বরং আফগানিস্তান হবে। বর্তমান আফগানিস্তান ভারতের গোলামী করছে । ইসলাম তখনই হবে যখন দেশের অধিকাংশ মানুষ ইসলাম চাইবে। তাই এরূপ পরিস্থিতিতে ভোট দেওয়া জায়েয আছে কিন্তু ভোট না দেওয়া উত্তম। আশা করা যায় আওয়ামী লীগের আমলে বাংলাদেশে ইসলামের যেমন প্রসার ঘটেছে এখানেও হবে। শুধু অল্প ক্ষতির কারণে গনতন্ত্র কুফুরীর সাথে আপোষ করাকে সর্বোচ্চ জায়েয বলতে পারি কিন্তু এই অল্প ক্ষতি মেনে নিয়ে গনতন্ত্র কুফুরীর সাথে আপোষ না করা অবশ্যই উত্তম। কুরআনে আল্লাহ বলছেন:-
مَن كَفَرَ بِٱللَّهِ مِنۢ بَعۡدِ إِيمَٰنِهِۦٓ إِلَّا مَنۡ أُكۡرِهَ وَقَلۡبُهُۥمَن كَفَرَ بِٱللَّهِ مِنۢ بَعۡدِ إِيمَٰنِهِۦٓ إِلَّا مَنۡ أُكۡرِهَ وَقَلۡبُهُۥ مُطۡمَئِنُّۢ بِٱلۡإِيمَٰنِ وَلَٰكِن مَّن شَرَحَ بِٱلۡكُفۡرِ صَدۡرٗا فَعَلَيۡهِمۡ غَضَبٞ مِّنَ ٱللَّهِ وَلَهُمۡ عَذَابٌ عَظِيمٞ
যে ঈমান আনার পর আল্লাহর সাথে কুফরী করেছে এবং যারা তাদের অন্তর কুফরী দ্বারা উন্মুক্ত করেছে, তাদের উপরই আল্লাহর ক্রোধ এবং তাদের জন্য রয়েছে মহাআযাব। ঐ ব্যক্তি ছাড়া যাকে বাধ্য করা হয় (কুফরী করতে) অথচ তার অন্তর থাকে ঈমানে পরিতৃপ্ত। (সূরা নাহল-১০৬)
অর্থাৎ যদি আপনার নিরাপত্তা নিয়ে সংকিত হোন তাহলে কুফরীর সাথে আপস করা শুধু মাত্র জায়েয যদিও মৃত্যু উত্তম।
একজন ব্যাক্তি:- বলে আমি ভোট দিব না এরূপ কুফরীর তন্ত্রে। যেখানে এমন এমন সমস্যা।
আমার উপদেশ:- এটাই ঠিক। যদিও ভোট দেওয়াকে আমি জায়েয মনে করি এবং কেউ যদি দেয় তাহলে নিয়ত ঠিক রাখতে হবে। কিন্তু আমার মনে হয় না জামাত ও বিএনপির মধ্যে কোন পার্থক্য আছে শুধু চান্দাবাজি ছাড়া। বিএনপি একটু চান্দা খায় তবে বিএনপিও ইসলাম বিদ্বেষী নয়। এখন কেউ ইসলামী নিয়মে দেশ চালাতে পারবে না। যদি যুক্তরাষ্ট্র আমাদের সেকসন দেয় তাহলে আমাদের অবস্থা ইরান থেকেও খারাপ হবে তখন মানুষই সরকার পাল্টে দিবে। তবে কেউ যদি ভোট দেয় তাকে হারাম বলবো না। কারণ:- নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জীবনীতে এর কিছু প্রমাণ পাওয়া যায় যেমন:- (১) হুদায়বিয়ার সন্ধি। একজন মুসলমান কে সুরক্ষা দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব কিন্তু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুদায়বিয়ার সন্ধির সময় একজন নির্যাতিত মুসলিম কে ফিরিয়ে দিয়েছেন এবং আরও অনেক কিছু মেনে নিয়েছে যা মুসলমানদের জন্য ক্ষতিকর ছিল কিন্তু এই ক্ষতির মধ্যে ইসলামের বড় স্বার্থ ছিল তাই নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাফেরদের সাথে আপোষ করেছিলেন।
তাই এরূপ ক্ষতি দূর করার লক্ষ্যে ইসলামের বিহত স্বার্থে দিতে পারেন।
অনুরূপ নিরাপত্তার অযুহাতে ভোট দেওয়া জায়েয আছে কিন্তু ভোট না দেওয়া উত্তম যদি দেখেন ইসলামের বড় কোন ক্ষতি হবে না যেমন বর্তমান ভোট। যদি এখানে একদিকে মুসলিম ও অপরদিকে ইসলাম বিদ্বেষী থাকতো তাহলে ভোট দেওয়া অনেক প্রয়োজনীয় এবং কেউ কেউ ওয়াজিব বলেছেন। কিন্তু আমি এখানেও জায়েয বলি এবং কারো ঈমান যদি এতো মজবুত হয় যে শহীদ হবে তাও কুফরী শক্তির সাথে আপোষ করবে না তাহলে আমি তাকে গুনাহ গার বলতে পারি না বরং সর্বোচ্চ উত্তম এবং সর্বনিম্ন খেলাফে সুন্নাত কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুদায়বিয়তে ইসলামের বিহত্তোর স্বার্থে স্বল্প ক্ষতিকে মেনে নিয়েছে কিন্তু এই মুসলিম মানছে না। তাই এটা খেলাফে সুন্নাত সর্বনিম্ন কিন্তু ওয়াজিব বা কবিরা গুনাহ নয়। তাই আমি এরূপ ক্ষেত্রকেউ ওয়াজিব বলবো না। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে দুই পক্ষই ইসলাম বিদ্বেষী নয় কিন্তু জামাত একটু ভালো আর বিএনপি একটু ক্ষতিকর যদিও তাতে ইসলামের উপর বেশি প্রভাব ফেলবে না কারণ আমরা আওয়ামী লীগ আমলে দেখেছি যে ইসলামের প্রসারই হয়েছে এবং বিএনপি আওয়ামীলীগ থেকে খারাপ নয় । এছাড়াও এই সুদি অর্থ নীতির কারণে জামায়াতো দেশকে ইসলামী করতে পারবে না বরং আফগানিস্তান হবে। বর্তমান আফগানিস্তান ভারতের গোলামী করছে । ইসলাম তখনই হবে যখন দেশের অধিকাংশ মানুষ ইসলাম চাইবে। তাই এরূপ পরিস্থিতিতে ভোট দেওয়া জায়েয আছে কিন্তু ভোট না দেওয়া উত্তম। আশা করা যায় আওয়ামী লীগের আমলে বাংলাদেশে ইসলামের যেমন প্রসার ঘটেছে এখানেও হবে। শুধু অল্প ক্ষতির কারণে গনতন্ত্র কুফুরীর সাথে আপোষ করাকে সর্বোচ্চ জায়েয বলতে পারি কিন্তু এই অল্প ক্ষতি মেনে নিয়ে গনতন্ত্র কুফুরীর সাথে আপোষ না করা অবশ্যই উত্তম। কুরআনে আল্লাহ বলছেন:-
مَن كَفَرَ بِٱللَّهِ مِنۢ بَعۡدِ إِيمَٰنِهِۦٓ إِلَّا مَنۡ أُكۡرِهَ وَقَلۡبُهُۥمَن كَفَرَ بِٱللَّهِ مِنۢ بَعۡدِ إِيمَٰنِهِۦٓ إِلَّا مَنۡ أُكۡرِهَ وَقَلۡبُهُۥ مُطۡمَئِنُّۢ بِٱلۡإِيمَٰنِ وَلَٰكِن مَّن شَرَحَ بِٱلۡكُفۡرِ صَدۡرٗا فَعَلَيۡهِمۡ غَضَبٞ مِّنَ ٱللَّهِ وَلَهُمۡ عَذَابٌ عَظِيمٞ
যে ঈমান আনার পর আল্লাহর সাথে কুফরী করেছে এবং যারা তাদের অন্তর কুফরী দ্বারা উন্মুক্ত করেছে, তাদের উপরই আল্লাহর ক্রোধ এবং তাদের জন্য রয়েছে মহাআযাব। ঐ ব্যক্তি ছাড়া যাকে বাধ্য করা হয় (কুফরী করতে) অথচ তার অন্তর থাকে ঈমানে পরিতৃপ্ত। (সূরা নাহল-১০৬)
অর্থাৎ যদি আপনার নিরাপত্তা নিয়ে সংকিত হোন তাহলে কুফরীর সাথে আপস করা শুধু মাত্র জায়েয যদিও মৃত্যু উত্তম।