- Joined
- May 20, 2024
- Threads
- 44
- Comments
- 88
- Reactions
- 642
- Thread Author
- #1
জ্ঞানের গুরুত্ব ও ফযীলত সম্পর্কে কবি আবু সুলাইমান (প্রখ্যাত আরবি ভাষাবিদ ইমাম সালাব-এর সঙ্গী) তার রচিত কবিতায় বলেছেন:
لَقَدْ ضَلَّتْ حُلُومٌ مِنْ أُنَاسٍ ... يَرَوْنَ الْعِلْمَ إِفْلَاسًا وَشُؤْمًا
"নিশ্চয়ই সেইসব মানুষের বুদ্ধি ও বিবেক বিভ্রান্ত হয়েছে, যারা জ্ঞানার্জনকে এক প্রকার নিঃস্বতা (দরিদ্রতা) এবং অমঙ্গল মনে করে।"
كَسَانَا عِلْمُنَا فَخْرًا وَجُودًا ... وَبِالْجَهْلِ اكْتَسَوْا عَجْزًا وَلَوْمَا
"আমাদের জ্ঞান আমাদের গৌরব ও মহানুভবতার পোশাক পরিয়েছে, অথচ তারা অজ্ঞতার কারণে কেবল অক্ষমতা ও নিন্দার পোশাক ধারণ করেছে।"
هُمُ الثِّيرَانُ إِنْ فَكَّرْتَ فِيهِمْ ... فَكَيْفَ بِأَنْ تَرَى ثَوْرًا عَلِيمَا
"তুমি যদি তাদের নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করো, তবে দেখবে তারা তো কেবলই ষাঁড়ের (পশুর) দল; আর তুমি কীভাবে আশা করতে পারো যে একটি ষাঁড় কখনো জ্ঞানী হবে?"
فَجَانِبْهُمْ وَلَا تَعْتِبْ عَلَيْهِمُ ... وَكُنْ لِلْكُتْبِ دُونَهُمُ نَدِيمَا
"অতএব, তুমি তাদের পরিহার করো (দূরে থাকো) এবং তাদের কোনো আচরণের জন্য অনুযোগ বা আক্ষেপ করো না; বরং তাদের বদলে কিতাবসমূহকেই তোমার অন্তরঙ্গ বন্ধু বানিয়ে নাও।
মূল ভাব: উক্ত কবিতায় কবি সেইসব বস্তুবাদী মানুষের কঠোর সমালোচনা করেছেন যারা জ্ঞানের মূল্যায়ন কেবল টাকা-পয়সা দিয়ে করে।কবি গর্বের সাথে বলছেন যে জ্ঞান মানুষকে যে আত্মিক আভিজাত্য ও সম্মান দেয়, তা কোটি টাকা দিয়েও কেনা সম্ভব নয়। অপরদিকে অজ্ঞ মানুষ ধন-সম্পদের মালিক হলেও পশুর মতোই বিবেকহীন ও নিন্দিত থাকে। তাই কবি উপদেশ দিচ্ছেন—এই মূর্খদের সাথে তর্ক করে সময় নষ্ট না করে, বই বা কিতাবকেই জীবনের শ্রেষ্ঠ সঙ্গী বানিয়ে নেওয়া উচিত; কারণ কিতাব কখনো মানুষের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে না।
অনুবাদক: আব্দুর রাকিব নাদভী।
لَقَدْ ضَلَّتْ حُلُومٌ مِنْ أُنَاسٍ ... يَرَوْنَ الْعِلْمَ إِفْلَاسًا وَشُؤْمًا
"নিশ্চয়ই সেইসব মানুষের বুদ্ধি ও বিবেক বিভ্রান্ত হয়েছে, যারা জ্ঞানার্জনকে এক প্রকার নিঃস্বতা (দরিদ্রতা) এবং অমঙ্গল মনে করে।"
كَسَانَا عِلْمُنَا فَخْرًا وَجُودًا ... وَبِالْجَهْلِ اكْتَسَوْا عَجْزًا وَلَوْمَا
"আমাদের জ্ঞান আমাদের গৌরব ও মহানুভবতার পোশাক পরিয়েছে, অথচ তারা অজ্ঞতার কারণে কেবল অক্ষমতা ও নিন্দার পোশাক ধারণ করেছে।"
هُمُ الثِّيرَانُ إِنْ فَكَّرْتَ فِيهِمْ ... فَكَيْفَ بِأَنْ تَرَى ثَوْرًا عَلِيمَا
"তুমি যদি তাদের নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করো, তবে দেখবে তারা তো কেবলই ষাঁড়ের (পশুর) দল; আর তুমি কীভাবে আশা করতে পারো যে একটি ষাঁড় কখনো জ্ঞানী হবে?"
فَجَانِبْهُمْ وَلَا تَعْتِبْ عَلَيْهِمُ ... وَكُنْ لِلْكُتْبِ دُونَهُمُ نَدِيمَا
"অতএব, তুমি তাদের পরিহার করো (দূরে থাকো) এবং তাদের কোনো আচরণের জন্য অনুযোগ বা আক্ষেপ করো না; বরং তাদের বদলে কিতাবসমূহকেই তোমার অন্তরঙ্গ বন্ধু বানিয়ে নাও।
মূল ভাব: উক্ত কবিতায় কবি সেইসব বস্তুবাদী মানুষের কঠোর সমালোচনা করেছেন যারা জ্ঞানের মূল্যায়ন কেবল টাকা-পয়সা দিয়ে করে।কবি গর্বের সাথে বলছেন যে জ্ঞান মানুষকে যে আত্মিক আভিজাত্য ও সম্মান দেয়, তা কোটি টাকা দিয়েও কেনা সম্ভব নয়। অপরদিকে অজ্ঞ মানুষ ধন-সম্পদের মালিক হলেও পশুর মতোই বিবেকহীন ও নিন্দিত থাকে। তাই কবি উপদেশ দিচ্ছেন—এই মূর্খদের সাথে তর্ক করে সময় নষ্ট না করে, বই বা কিতাবকেই জীবনের শ্রেষ্ঠ সঙ্গী বানিয়ে নেওয়া উচিত; কারণ কিতাব কখনো মানুষের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে না।
অনুবাদক: আব্দুর রাকিব নাদভী।