Knowledge Sharer
ilm Seeker
HistoryLover
Q&A Master
Salafi User
- Joined
- Jan 3, 2023
- Threads
- 1,181
- Comments
- 1,373
- Solutions
- 1
- Reactions
- 12,514
- Thread Author
- #1
সৌদি আরবের সাবেক গ্রান্ড মুফতি শাইখ আব্দুল আযীয ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ)-কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল,
‘যে ব্যক্তি নিজেকে হত্যা করেছে, তাকে কি গোসল দেয়া হবে এবং তার জানাযার ছালাত পড়া হবে?
উত্তরে তিনি বলেন, ‘আত্মহত্যাকারীকে গোসল দেয়া হবে, তার জানাযার ছালাত পড়া হবে এবং তাকে মুসলিমদের সঙ্গে দাফন করা হবে। কারণ, সে একজন পাপী, কিন্তু সে কাফির নয়। কেননা, আত্মহত্যা করা একটি গুনাহ, কুফর নয়। সুতরাং যদি কেউ আত্মহত্যা করে, তাহলে তাকে গোসল দেয়া হবে, কাফন পরানো হবে এবং তার জানাযার ছালাত পড়া হবে। তবে বড় ইমাম/প্রধান ইমাম এবং সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য তার জানাযার ছালাত না পড়া উচিত- এটি প্রতিবাদ ও নিন্দা প্রকাশের উদ্দেশ্যে। যাতে মানুষ মনে না করে যে, তিনি তার এই কাজকে সমর্থন বা অনুমোদন করেন। অতএব প্রধান ইমাম, শাসক, বিচারক, শহর বা এলাকার প্রধান কিংবা আমির যদি এই কাজের প্রতিবাদ এবং এটি যে ভুল- তা প্রকাশ করার উদ্দেশ্যে তার জানাযার ছালাত না পড়েন, তাহলে তা উত্তম। তবে অন্য মুসলিমদের মধ্য থেকে কেউ তার জানাযার ছালাত পড়াবে’।
(মাজমূঊ ফাতাওয়া লিইবনি বায, ১৩/১২২; ফাতাওয়া ইসলামিয়্যাহ, ২/৬২)
(মাসিক আল ইখলাছ)
‘যে ব্যক্তি নিজেকে হত্যা করেছে, তাকে কি গোসল দেয়া হবে এবং তার জানাযার ছালাত পড়া হবে?
উত্তরে তিনি বলেন, ‘আত্মহত্যাকারীকে গোসল দেয়া হবে, তার জানাযার ছালাত পড়া হবে এবং তাকে মুসলিমদের সঙ্গে দাফন করা হবে। কারণ, সে একজন পাপী, কিন্তু সে কাফির নয়। কেননা, আত্মহত্যা করা একটি গুনাহ, কুফর নয়। সুতরাং যদি কেউ আত্মহত্যা করে, তাহলে তাকে গোসল দেয়া হবে, কাফন পরানো হবে এবং তার জানাযার ছালাত পড়া হবে। তবে বড় ইমাম/প্রধান ইমাম এবং সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য তার জানাযার ছালাত না পড়া উচিত- এটি প্রতিবাদ ও নিন্দা প্রকাশের উদ্দেশ্যে। যাতে মানুষ মনে না করে যে, তিনি তার এই কাজকে সমর্থন বা অনুমোদন করেন। অতএব প্রধান ইমাম, শাসক, বিচারক, শহর বা এলাকার প্রধান কিংবা আমির যদি এই কাজের প্রতিবাদ এবং এটি যে ভুল- তা প্রকাশ করার উদ্দেশ্যে তার জানাযার ছালাত না পড়েন, তাহলে তা উত্তম। তবে অন্য মুসলিমদের মধ্য থেকে কেউ তার জানাযার ছালাত পড়াবে’।
(মাজমূঊ ফাতাওয়া লিইবনি বায, ১৩/১২২; ফাতাওয়া ইসলামিয়্যাহ, ২/৬২)
(মাসিক আল ইখলাছ)