Knowledge Sharer
ilm Seeker
HistoryLover
Q&A Master
Salafi User
- Joined
- Jan 3, 2023
- Threads
- 1,163
- Comments
- 1,355
- Solutions
- 1
- Reactions
- 13,070
- Thread Author
- #1
• আবুল হাসান বিন খালিদ (রহ:) বলেন, আবু উবাইদাহ ইবনুল জারাহ সৈনিকদের সঙ্গে পথ চলছিলেন এবং বলছিলেন, সাবধান! কত শুভ্র পোশাকধারী লোক আছে, যারা তাদের দীনকে কলুষিত করে। সাবধান! কত লোক আছি যারা নিজেদের সম্মানিত করতে চায় কিন্তু (উলটো) নিজেদের লাঞ্ছিত করে। তোমরা তোমাদের অতীত গুনাহগুলোকে নতুন নেক আমলসমূহ দিয়ে পরিবর্তন করে নাও। জেনে রাখো! তোমাদের কেউ জমিন থেকে আসমান পর্যন্ত গুনাহ করে, অতঃপর (তাওবাহ করে পুনরায়) নেক আমল করে তা হলে, তার নেক আমল তার কৃত গুনাহর উপর প্রাধান্য পাবে। এমনকী সেগুলোকে দূরীভূত করে দেবে।
[আহমাদ, আয-যুহদ, হা. ১০২৮ (শাইখ হামীদ আসারটির সনদ সহীহ বলেছেন)]
• আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা:) বলেন, আদম সন্তানকে গুনাহকারী হিসেবে সৃষ্টি করা হয়েছে। তবে আল্লাহ তাআলা যার প্রতি রহম করেন তার বিষয় ভিন্ন। [শুআবুল ইমান, হা. ২৬৯ (শাইখ আহমাদ ফারীদ আসারটির সনদ সহীহ বলেছেন)]
• উসমান ইবনু যায়িদা (রহ:) বলেন, লুকমান (আ:) তাঁর ছেলেকে বলেন, ছেলে আমার! তাওবাহ করতে দেরি করো না। কারণ মৃত্যু তো সহসাই এসে যায়। [কিতাবুত তাওবাহ, হা. ২৯ (শাইখ মাজদি সাইয়িদ সনদ সহীহ বলেছেন)]
• ইউনুস ইবনু উবাইদ (রহ:) বলেন, বকর ইবনু আবদিল্লাহ মুযানি-কে বলতে শুনেছি, তোমরা বেশি বেশি গুনাহ করে থাকো, তাই তোমাদের কর্তব্য হলো বেশি বেশি ইসতিগফার করা। কারণ কিয়ামতের দিন বান্দা যখন তার আমলনামার দুই লাইন পর পর ইসতিগফার দেখতে পাবে, সেটা তাকে খুবই আনন্দিত করবে। [কিতাবুত তাওবাহ, হা. ১৭৯ (শাইখ মাজদি সাইয়িদ হাসান বলেছেন)]
• ইমাম ইবনুল কাইয়িম (রহ:) বলেন, আল্লাহ যখন কোনো বান্দার জন্য কল্যাণ চান, তখন তাকে স্বীয় পাপ স্বীকারের যোগ্যতা এবং অন্যের পাপ অন্বেষণ করা থেকে বিরত থাকার তাওফীক দান করেন। আর সে স্বীয় সম্পদ নিয়েই প্রাচুর্য বোধ করে ও অন্যের সম্পদ থেকে বিমুখ থাকে এবং অন্যের দুঃখকষ্টের ভার বহন করে। আর যখন কারও অকল্যাণ চান, তখন বিপরীতটাই ঘটে। [আল-ফাওয়ায়িদ, ৯৯ পৃ.]
সূত্র : সালাফগণের দুনিয়াবিমুখতা, বিলিভার্স ভিশন পাবলিকেশন্স
[আহমাদ, আয-যুহদ, হা. ১০২৮ (শাইখ হামীদ আসারটির সনদ সহীহ বলেছেন)]
• আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা:) বলেন, আদম সন্তানকে গুনাহকারী হিসেবে সৃষ্টি করা হয়েছে। তবে আল্লাহ তাআলা যার প্রতি রহম করেন তার বিষয় ভিন্ন। [শুআবুল ইমান, হা. ২৬৯ (শাইখ আহমাদ ফারীদ আসারটির সনদ সহীহ বলেছেন)]
• উসমান ইবনু যায়িদা (রহ:) বলেন, লুকমান (আ:) তাঁর ছেলেকে বলেন, ছেলে আমার! তাওবাহ করতে দেরি করো না। কারণ মৃত্যু তো সহসাই এসে যায়। [কিতাবুত তাওবাহ, হা. ২৯ (শাইখ মাজদি সাইয়িদ সনদ সহীহ বলেছেন)]
• ইউনুস ইবনু উবাইদ (রহ:) বলেন, বকর ইবনু আবদিল্লাহ মুযানি-কে বলতে শুনেছি, তোমরা বেশি বেশি গুনাহ করে থাকো, তাই তোমাদের কর্তব্য হলো বেশি বেশি ইসতিগফার করা। কারণ কিয়ামতের দিন বান্দা যখন তার আমলনামার দুই লাইন পর পর ইসতিগফার দেখতে পাবে, সেটা তাকে খুবই আনন্দিত করবে। [কিতাবুত তাওবাহ, হা. ১৭৯ (শাইখ মাজদি সাইয়িদ হাসান বলেছেন)]
• ইমাম ইবনুল কাইয়িম (রহ:) বলেন, আল্লাহ যখন কোনো বান্দার জন্য কল্যাণ চান, তখন তাকে স্বীয় পাপ স্বীকারের যোগ্যতা এবং অন্যের পাপ অন্বেষণ করা থেকে বিরত থাকার তাওফীক দান করেন। আর সে স্বীয় সম্পদ নিয়েই প্রাচুর্য বোধ করে ও অন্যের সম্পদ থেকে বিমুখ থাকে এবং অন্যের দুঃখকষ্টের ভার বহন করে। আর যখন কারও অকল্যাণ চান, তখন বিপরীতটাই ঘটে। [আল-ফাওয়ায়িদ, ৯৯ পৃ.]
সূত্র : সালাফগণের দুনিয়াবিমুখতা, বিলিভার্স ভিশন পাবলিকেশন্স