Altruistic
Uploader
Salafi User
- Joined
- Nov 17, 2023
- Threads
- 415
- Comments
- 534
- Solutions
- 1
- Reactions
- 13,636
- Thread Author
- #1
জাগতিক জ্ঞান মানুষের বৃদ্ধি পায়। তাই জাগতিক জ্ঞানের ক্ষেত্রে পরবর্তী সালাফদের অনুসরণ করতে হবে। কারণ পরবর্তী সালাফরাও কুরআন ও হাদীস বুঝতো এবং তাদের কাছে জাগতিক জ্ঞানের তথ্য বেশি ছিল। পূর্ববর্তী সালাফরা ওহীর জ্ঞানে সবচেয়ে বেশি পারদর্শী ছিলেন কারণ তারা শ্রেষ্ঠ প্রজন্মকে নিজেদের স্বচক্ষে দেখেছে এবং বুঝেছে। কিন্তু পরবর্তী সালাফরাও কুরআন ও হাদীস সম্পর্কে অভিজ্ঞ ছিলেন কিন্তু তারা শ্রেষ্ঠ প্রজন্মকে নিজেদের স্বচক্ষে দেখেনি। তাই খালাফরা ওহির জ্ঞনে নিপুণ পারদর্শী ছিলেন যদিও সালাফরা ছিল খালাফদের চেয়ে ওহির জ্ঞনে অধিক মর্যাদাশীল। কিন্তু জাগতিক জ্ঞানে খালাফরা বেশি পারদর্শী ছিলেন সালাফদের চেয়েও কারন জাগতিক জ্ঞান অল্প অল্প করে বৃদ্ধি পায় এবং পরবর্তীদের কছে অধিক তথ্য থাকে। তাই যে, বিষয় জগতের সাথে জড়িত সেই বিষয়ে কুরআন ও হাদীসের অভিজ্ঞতার সাথে যে জাগতিক জ্ঞানের বিষয়ে বেশি অভিজ্ঞ তাকেই অনুসরণ করতে হবে। এখানে যদি শুধু ওহীর জ্ঞান হতো তাহলে প্রাচীন সালাফরা অনুসরণ জগ্য হতো কিন্তু এখানে ওহী+জাগতিক জ্ঞান। তাই জাগতিক বিষয়ে পরবর্তী সালাফদের অনুসরণ করতে হবে। এতে প্রাচীন সালাফদের মর্যাদা বিন্দু মাত্র কম হয় না।এটা জরুরী নয় যে, ওহির ইলমের ব্যাপারে কেউ সর্বশ্রেষ্ঠ হলেই জাগতিক জ্ঞানের বিষয়ে সর্বশ্রেষ্ঠ হয়ে যায়। নিচে এই বিষয়ে কিছু কুরআনের আয়াত ও হাদীস উল্লেখ করা হলো:-
১. কুরআনের আয়াতসমূহ
কুরআনে আল্লাহ তাআলা মানুষকে জ্ঞান অন্বেষণ এবং অজানাকে জানার জন্য বারবার তাগিদ দিয়েছেন, যা সময়ের সাথে সাথে জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।
জ্ঞান বৃদ্ধির প্রার্থনা:
"বলুন, হে আমার পালনকর্তা! আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন।" (সূরা ত্বহা: ১১৪) এই আয়াতটি প্রমাণ করে যে, জ্ঞান একটি স্থবির বিষয় নয় বরং এটি প্রতিনিয়ত বৃদ্ধির দাবি রাখে।
সৃষ্টিজগত পর্যবেক্ষণের নির্দেশ:
"আমি শীঘ্রই তাদেরকে আমার নিদর্শনসমূহ দেখাবো বিশ্বজগতে এবং তাদের নিজেদের মধ্যে..." (সূরা ফুসসিলাত: ৫৩) এখানে 'শীঘ্রই দেখাবো' (সা-নুরীহিম) শব্দটি ভবিষ্যৎ সূচক। এর অর্থ হলো, যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে বিজ্ঞানের উন্নতির মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর এমন সব সৃষ্টি রহস্য জানতে পারবে যা আগের যুগের মানুষের কাছে অজানা ছিল।
অজানাকে জানার স্বীকৃতি:
"তিনি সৃষ্টি করেন এমন সব জিনিস যা তোমরা জানো না।" (সূরা নাহল: ৮) রাসূল (সা.)-এর যুগে যাতায়াতের মাধ্যম ছিল উট বা ঘোড়া। কিন্তু এই আয়াত ইঙ্গিত দেয় যে, ভবিষ্যতে এমন সব যানবাহন বা প্রযুক্তি আসবে যা তখনকার মানুষ কল্পনাও করতে পারতো না। আজকের বিমান বা মহাকাশযান সেই অগ্রগতিরই অংশ।
২. হাদীসের বর্ণনা
রাসূলুল্লাহ (সা.) দ্বীনি বিষয়ে নিজেকে চূড়ান্ত কর্তৃপক্ষ রাখলেও জাগতিক বিষয়ে উম্মতকে অভিজ্ঞতার ওপর ছেড়ে দিয়েছেন।
খেজুর গাছের পরাগায়ন সংক্রান্ত হাদীস: একবার রাসূল (সা.) মদিনার লোকদের খেজুর গাছে কৃত্রিম পরাগায়ন করতে নিষেধ করেছিলেন, ফলে ফলন কম হয়েছিল। তখন তিনি বলেছিলেন:
"তোমরা তোমাদের দুনিয়াবি বিষয়ে আমার চেয়ে বেশি ভালো জানো।" (সহীহ মুসলিম: ২৩৬৩)
১. কুরআনের আয়াতসমূহ
কুরআনে আল্লাহ তাআলা মানুষকে জ্ঞান অন্বেষণ এবং অজানাকে জানার জন্য বারবার তাগিদ দিয়েছেন, যা সময়ের সাথে সাথে জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।
জ্ঞান বৃদ্ধির প্রার্থনা:
"বলুন, হে আমার পালনকর্তা! আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন।" (সূরা ত্বহা: ১১৪) এই আয়াতটি প্রমাণ করে যে, জ্ঞান একটি স্থবির বিষয় নয় বরং এটি প্রতিনিয়ত বৃদ্ধির দাবি রাখে।
সৃষ্টিজগত পর্যবেক্ষণের নির্দেশ:
"আমি শীঘ্রই তাদেরকে আমার নিদর্শনসমূহ দেখাবো বিশ্বজগতে এবং তাদের নিজেদের মধ্যে..." (সূরা ফুসসিলাত: ৫৩) এখানে 'শীঘ্রই দেখাবো' (সা-নুরীহিম) শব্দটি ভবিষ্যৎ সূচক। এর অর্থ হলো, যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে বিজ্ঞানের উন্নতির মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর এমন সব সৃষ্টি রহস্য জানতে পারবে যা আগের যুগের মানুষের কাছে অজানা ছিল।
অজানাকে জানার স্বীকৃতি:
"তিনি সৃষ্টি করেন এমন সব জিনিস যা তোমরা জানো না।" (সূরা নাহল: ৮) রাসূল (সা.)-এর যুগে যাতায়াতের মাধ্যম ছিল উট বা ঘোড়া। কিন্তু এই আয়াত ইঙ্গিত দেয় যে, ভবিষ্যতে এমন সব যানবাহন বা প্রযুক্তি আসবে যা তখনকার মানুষ কল্পনাও করতে পারতো না। আজকের বিমান বা মহাকাশযান সেই অগ্রগতিরই অংশ।
২. হাদীসের বর্ণনা
রাসূলুল্লাহ (সা.) দ্বীনি বিষয়ে নিজেকে চূড়ান্ত কর্তৃপক্ষ রাখলেও জাগতিক বিষয়ে উম্মতকে অভিজ্ঞতার ওপর ছেড়ে দিয়েছেন।
খেজুর গাছের পরাগায়ন সংক্রান্ত হাদীস: একবার রাসূল (সা.) মদিনার লোকদের খেজুর গাছে কৃত্রিম পরাগায়ন করতে নিষেধ করেছিলেন, ফলে ফলন কম হয়েছিল। তখন তিনি বলেছিলেন:
"তোমরা তোমাদের দুনিয়াবি বিষয়ে আমার চেয়ে বেশি ভালো জানো।" (সহীহ মুসলিম: ২৩৬৩)