তাকওয়া
-
তাকওয়া দুই প্রকার
ইয়াইয়া ইবনু মুআয [রহিমাহুল্লাহ] বলেন, ওয়ারা' বা তাকওয়া দুই প্রকার: ক. প্রকাশ্য তাকওয়া। যার অর্থ আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্য ছাড়া কোনো দিকে না যাওয়া। খ. অভ্যন্তরীণ তাকওয়া। যার অর্থ নিজ অন্তরে আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো কিছুকে প্রবেশ না করানো। তিনি আরও বলেন, যে ব্যক্তি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বিষয়ে...- Golam Rabby
- Thread
- আল্লাহ ভিরুতা তাকওয়া
- Replies: 0
- Forum: সালাফ কথন
-
দুনিয়াটা একটি যুদ্ধক্ষেত্র
ইমাম ইবনুল জাওজি (রহ.) বলেন, 'দুনিয়াটা একটি যুদ্ধক্ষেত্র। সকল মানুষ দাঁড়িয়ে আছে যুদ্ধের সারিতে। শয়তান হলো এ যুদ্ধের প্রতিপক্ষ। সে মানুষদের লক্ষ্য করে একের পর এক ছুড়ে যায় আসক্তির তির। সুখ ও স্বাদের তরবারি দিয়ে আঘাত করে যায় নিরন্তর। যারা আসক্তি ও স্বাদে মজে যায়, তারা হয় ভূপাতিত, পরাজিত। কিন্তু...- Golam Rabby
- Thread
- তাকওয়া দুনিয়া শয়তান
- Replies: 0
- Forum: সালাফ কথন
-
তাকওয়ার পরিচয়
• ত্বালাক বিন হাবীব (র.) বলেন, তাক্বওয়া হল আল্লাহর নূরে বিকশিত হয়ে, আল্লাহর প্রতি আনুগত্যশীল হয়ে এবং তাঁর রহমতের প্রত্যাশী হয়ে আল্লাহর নির্দেশসমূহ পালন করা। অপরদিকে আল্লাহর নূরে বিকশিত হয়ে, তাঁর শাস্তির ভয়ে ভীত হয়ে যাবতীয় আল্লাহর অবাধ্যতামূলক কাজ থেকে বিরত থাকার নাম। [ইবনে আবীদ্দুনিয়া, কিতাবুল...- Golam Rabby
- Thread
- আল্লাহ ভিরুতা তাকওয়া
- Replies: 0
- Forum: সালাফ কথন
-
এটাই হল ইখলাস
ইমাম ইবনু কুদামা মাক্বদেসী (রহঃ) বলেন, ‘আমল করার পূর্বে এবং সময়ে মানুষের উচিত তার নফসকে পর্যবেক্ষণ করা যে, প্রবৃত্তি তাকে সেই কাজে ধাবিত করেছে নাকি স্রেফ আল্লাহই তাকে সেই কাজের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন? যদি আল্লাহ তাকে প্রেরণা যোগান তাহলে সে কাজটি বাস্তবায়ন করবে। নচেৎ তা পরিত্যাগ করবে। আর এটাই হল...- Golam Rabby
- Thread
- ইখলাস তাকওয়া পরহেজগারিতা
- Replies: 0
- Forum: সালাফ কথন
-
হায় আমার মা! যদি তুমি আমায় জন্মই না দিতে!
আবু মাইসারা যখন বিছানাতে ঘুমাতে যেতেন, তখন বলতেন, 'হায় আমার মা! যদি তুমি আমায় জন্মই না দিতে!' এরপর তিনি কাঁদতে থাকতেন। তাকে একবার প্রশ্ন করা হলো, 'আবু মাইসারা, কাঁদছ কেন?' তিনি উত্তর করলেন, 'আমাদের জানানো হলো, আমরা অবশ্যই সে স্থান অতিক্রম করব।* কিন্তু আমাদের বলা হলো না, কীভাবে আমরা তা থেকে বেঁচে...- Golam Rabby
- Thread
- আল্লাহ ভিরুতা তাকওয়া
- Replies: 0
- Forum: সালফে-সালেহীন
-
হালাল উপার্জনের গুরুত্ব
কাযী আবূ ইয়া'লা মাওছীলী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘আল্লাহর ভয়ে হালাল উপার্জন করা সিয়াম, সালাত ও হজ্জের মত ইবাদত সম্পাদনের প্রতি মনোযোগী হওয়ার চেয়ে উত্তম'। – আল আদাবুশ শার' ঈয়্যাহ: ৩/২৬৭- Golam Rabby
- Thread
- ইবাদত তাকওয়া হালাল হারাম
- Replies: 0
- Forum: সালাফ কথন
-
আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে হবে
ইমাম সুফিয়ান আস সাওরী (রাহিমাহুল্লাহ)'র পকেটে সর্বদা একটা কাগজের টুকরা রাখতেন। যা তিনি বারবার দেখতেন আবার পকেটে ঢুকিয়ে রাখতেন। একদিন কাগজটি পকেট থেকে নিচে পড়ে গেলো। লোকজন সেটা উঠিয়ে দেখে সেখানে লিখা ছিলো : “হে সুফিয়ান! মনে রেখো, আল্লাহর সামনে তোমাকেও দাঁড়াতে হবে।” – সিয়ারুস সালফে সালেহীন : ১০০৬- Golam Rabby
- Thread
- আল্লাহ ভিরুতা তাকওয়া
- Replies: 0
- Forum: সালফে-সালেহীন
-
তাই কাঁদছি
সন্ধ্যাবেলা যাহহাক ইবনু মুযাহিম (রাহিমাহুল্লাহ) খুব কাঁদতেন। কারণ জিজ্ঞেস করা হলে বলতেন, ‘আমি জানি না, আজ সারাদিনে আমার কোন কোন আমল আল্লাহর কাছে গৃহীত হয়েছে।’ (তাই কাঁদছি) — সিফাতুস সাফওয়া : ৪/১৫০- Golam Rabby
- Thread
- আমল আল্লাহ ভিরুতা তাকওয়া
- Replies: 0
- Forum: সালফে-সালেহীন
-
তাকওয়াকে তোমার হৃদয়ের গভীরে প্রোথিত করো
ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা উমর বিন খাত্তাব (রাদিআল্লাহু আনহু) তাঁর পুত্র আব্দুল্লাহ (রাদিআল্লাহু আনহু) এর নিকট প্রেরিত পত্রে লেখেন : “পরসমাচার। আমি তোমাকে তাকওয়া অবলম্বনের নির্দেশ প্রদান করছি। কেননা, যে আল্লাহকে ভয় করবে, তিনি তাকে রক্ষা করবেন। যে আল্লাহকে উত্তম ঋণ দেবে আল্লাহ তাকে তার প্রতিদান...- Golam Rabby
- Thread
- আল্লাহ ভিরুতা তাকওয়া রিযিক
- Replies: 0
- Forum: সাহাবায়ে কেরাম (রা:)
-
আমি আপনাকে আল্লাহকে ভয় করে চলার উপদেশ দিচ্ছি
আয়িশা (রাদিআল্লাহু আনহা) মুআবিয়া (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এর নিকট লিখলেন : “আমি আপনাকে আল্লাহকে ভয় করে চলার উপদেশ দিচ্ছি। কেননা, যদি আপনি আল্লাহকে ভয় করেন, তবে আল্লাহ আপনার জন্য মানুষের ব্যাপারে যথেষ্ট হবেন। যদি আপনি মানুষদের ভয় করেন, তবে তারা আল্লাহর সামনে আপনার জন্য কিছুই করার ক্ষমতা রাখে না।...- Golam Rabby
- Thread
- আল্লাহ ভিরুতা তাকওয়া
- Replies: 0
- Forum: সাহাবায়ে কেরাম (রা:)
-
I
বাংলা বই তাকওয়ার উপকারিতা - PDF মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
তাকওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি অর্জন করলে এর ইহকালীন ও পরকালীন উপকারিতা কি - তা সম্পর্কে শাইখ (রহ) এই বই রচনা করেছেন।