- Joined
- Aug 9, 2026
- Threads
- 1
- Comments
- 1
- Reactions
- 12
- Thread Author
- #1
এগুলো কিছুই না। আমি হেফজো মাদ্রাসা থাকতে যেগুলো দেখছিলাম সেগুলো ভাইরাল হলে এতক্ষনে সবাই আন্দোলনে নেমে যেত রাস্তায়।
আচ্ছা আজকাল আপনারা হয়তো অনেক খবর আর ভিডিও দেখতেছেন মাদ্রাসার নির্যাতন, বলৎকার, হত্যা এইগুলো নিয়ে। আমি ৬ বছর বয়স হতে ১৪ বছর পর্যন্ত বিভিন্ন হেফজো মাদ্রাসায় পড়ছিলাম তাই নিজের অভিজ্ঞতা টা একটু শেয়ার করি আপনাদের সাথে। আসলে মাইর গুলো হয়ে থাকে আর আমি যত মাদ্রাসায় পড়ছিলাম সব জায়গায় ভয়ঙ্কর মাইর দেওয়া যেমন লাঠি ভেঙে ফেলা, জুতা দিয়ে মারা, রক্ত বের করে ফেলা এইগুলো হয়ে থাকতো কিন্তু তখনকার মানুষ আসলে জানতো না এই ব্যাপারে যতটা আজকে সোশ্যাল মিডিয়ার জন্যে জানতে পেরেছে। আসলে আমি ছেলেদেরকে মাইর খেতে খেতে বেহুশ হয়ে যেতেও দেখেছি আর হুজুররা আসলে কারণ ছাড়াও মারে যেমন একজনকে মারতে উঠলে আসে পাশের সবাইকে মারা শুরু করে। এইগুলো তো সাধারণ হেফজো মাদ্রাসায় হয় কিন্তু যেইগুলো জেইল সিস্টেম সেইগুলো আরো ভয়ঙ্কর কারণ বাচ্চারা বাহিরে যেতে পারে না আর জীবনটা সেখানেই চলে আকাশ পর্যন্ত দেখতে পারে না বাহিরের। আসলে এইগুলো বলতে বলতে আমি ইমোশনাল হয়ে যাচ্ছি কারণ আমি অনেকবার বাসায় এসে বলতাম যে পড়ব না সেখানে আর আম্মু আমার কষ্ট বুঝতো কিন্তু আব্বু জোর করে মেরে দিয়ে আসতো হেফজো মাদ্রাসায় কারণ তার একটাই লোভ যে ছেলে হাফেজ হলে সে জান্নাতে যাইতে পারবে কিন্তু আমাকে কেউ বুঝলো না তখন। যদিও এটা আমি বলবো যে বলৎকার বা খুন হতে আমি কোনোদিন দেখি নাই তো সেটা অনেক কম পরিমাণের মাদ্রাসায় হয়ে থাকে কিন্তু এমন পশুর মত মাইর সব জায়গায় হয়ে থাকে। আর হুজুররা এটা বলে ব্রেন ওয়াশ করার চেষ্টা করতো যে ওস্তাদ যেখানে মারবে সেখানে জাহান্নামের আগুন লাগবে না।
আপনার ছেলেদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাদেরকে হেফজোতে দিয়েন না আর তার ইচ্ছা না হলে কোনোদিন সেটি হবে না কারণ আমিও ৮ বছর পড়ে হতে পারিনি।
যদি আপনার ছেলেদের ইসলামী জ্ঞান অর্জন কড়াইতে আর মাদ্রাসায় পড়াইতে চান তাহলে তাদেরকে সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে সংযুক্ত আলিয়া মাদ্রাসায় পড়াইয়েন কারণ আমিও আলিয়া মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষা দিয়েছিলাম তারপর কলেজে ভর্তি হয়। আফসোস এটাই যে আব্বু আম্মুর ৮ বছর লাগলো এটা বুঝতে যে হেফজো আমি চাই না তারপর আমাকে ১৪ বছর বয়সে ক্লাস ৫ এ ভর্তি করানো হয় আলিয়া মাদ্রাসায়।
আচ্ছা আজকাল আপনারা হয়তো অনেক খবর আর ভিডিও দেখতেছেন মাদ্রাসার নির্যাতন, বলৎকার, হত্যা এইগুলো নিয়ে। আমি ৬ বছর বয়স হতে ১৪ বছর পর্যন্ত বিভিন্ন হেফজো মাদ্রাসায় পড়ছিলাম তাই নিজের অভিজ্ঞতা টা একটু শেয়ার করি আপনাদের সাথে। আসলে মাইর গুলো হয়ে থাকে আর আমি যত মাদ্রাসায় পড়ছিলাম সব জায়গায় ভয়ঙ্কর মাইর দেওয়া যেমন লাঠি ভেঙে ফেলা, জুতা দিয়ে মারা, রক্ত বের করে ফেলা এইগুলো হয়ে থাকতো কিন্তু তখনকার মানুষ আসলে জানতো না এই ব্যাপারে যতটা আজকে সোশ্যাল মিডিয়ার জন্যে জানতে পেরেছে। আসলে আমি ছেলেদেরকে মাইর খেতে খেতে বেহুশ হয়ে যেতেও দেখেছি আর হুজুররা আসলে কারণ ছাড়াও মারে যেমন একজনকে মারতে উঠলে আসে পাশের সবাইকে মারা শুরু করে। এইগুলো তো সাধারণ হেফজো মাদ্রাসায় হয় কিন্তু যেইগুলো জেইল সিস্টেম সেইগুলো আরো ভয়ঙ্কর কারণ বাচ্চারা বাহিরে যেতে পারে না আর জীবনটা সেখানেই চলে আকাশ পর্যন্ত দেখতে পারে না বাহিরের। আসলে এইগুলো বলতে বলতে আমি ইমোশনাল হয়ে যাচ্ছি কারণ আমি অনেকবার বাসায় এসে বলতাম যে পড়ব না সেখানে আর আম্মু আমার কষ্ট বুঝতো কিন্তু আব্বু জোর করে মেরে দিয়ে আসতো হেফজো মাদ্রাসায় কারণ তার একটাই লোভ যে ছেলে হাফেজ হলে সে জান্নাতে যাইতে পারবে কিন্তু আমাকে কেউ বুঝলো না তখন। যদিও এটা আমি বলবো যে বলৎকার বা খুন হতে আমি কোনোদিন দেখি নাই তো সেটা অনেক কম পরিমাণের মাদ্রাসায় হয়ে থাকে কিন্তু এমন পশুর মত মাইর সব জায়গায় হয়ে থাকে। আর হুজুররা এটা বলে ব্রেন ওয়াশ করার চেষ্টা করতো যে ওস্তাদ যেখানে মারবে সেখানে জাহান্নামের আগুন লাগবে না।
আপনার ছেলেদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাদেরকে হেফজোতে দিয়েন না আর তার ইচ্ছা না হলে কোনোদিন সেটি হবে না কারণ আমিও ৮ বছর পড়ে হতে পারিনি।
যদি আপনার ছেলেদের ইসলামী জ্ঞান অর্জন কড়াইতে আর মাদ্রাসায় পড়াইতে চান তাহলে তাদেরকে সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে সংযুক্ত আলিয়া মাদ্রাসায় পড়াইয়েন কারণ আমিও আলিয়া মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষা দিয়েছিলাম তারপর কলেজে ভর্তি হয়। আফসোস এটাই যে আব্বু আম্মুর ৮ বছর লাগলো এটা বুঝতে যে হেফজো আমি চাই না তারপর আমাকে ১৪ বছর বয়সে ক্লাস ৫ এ ভর্তি করানো হয় আলিয়া মাদ্রাসায়।