Salafi
Salafi User
- Joined
- Mar 24, 2024
- Threads
- 40
- Comments
- 51
- Reactions
- 467
- Thread Author
- #1
আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের মহান ইমাম, শাইখুল ইসলাম আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন হাম্বাল আশ-শাইবানী (রাহিমাহুল্লাহ) জন্ম ১৬৪ হি./৭৮০ খ্রি. এবং মৃত্যু ২৪১ হি./৮৫৫ খ্রি.]-কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল,
الرجل يصوم ويصلي ويعتكف أحب إليك، أو يتكلم في أهل البدع؟ فقال: “إذا قام وصلى واعتكف، فإنما هو لنفسه، وإذا تكلم في أهل البدع فإنما هو للمسلمين وهذا أفضل
"যে ব্যক্তি নফল সিয়াম পালন করে, নফল সালাত আদায় করে, ই‘তিকাফ করে সে আপনার নিকট বেশি প্রিয়, না-কি যে ব্যক্তি বিদআতীদের মুখোশ উম্মোচন করে সে বেশি প্রিয়? প্রতুত্তরে ইমাম আহমেদ (রাহি.) বলেন,"যে ব্যক্তি যখন সিয়াম, সালাত পালন করে তা শুধু তার নিজের কল্যাণেই করে থাকে, পক্ষান্তরে যখন বিদআতীদের মুখোশ উম্মোচনের কথা বলে তা সকল মুসলিমের কল্যাণ হয়ে থাকে। আর এটাই উত্তম"।(ইবনু তাইমিয়া;মাজমূউল ফাতওয়া,২৮শ খণ্ড,পৃষ্ঠা;২৩১)
.
"ইবাদত ও দাওয়াহ—উভয়ই ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য দায়িত্ব। তবে যখন সমাজে বিদআতের প্রভাব বিস্তৃত হয় এবং বিভ্রান্ত আকিদার কারণে মানুষ হক্ব থেকে দূরে সরে যায়, তখন সর্বাগ্রে জরুরি হয়ে দাঁড়ায় হক্ব প্রকাশ এবং বাতিল আক্বীদা ও কর্মপন্থার দৃঢ় প্রতিরোধ। এটাই ছিল ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রহিমাহুল্লাহ)-র পথ—যিনি নিজের যুগে হক্বের সপক্ষে অবিচল থেকে বাতিলের বিরুদ্ধে নির্ভীকভাবে অবস্থান নিয়েছিলেন। তাঁর অবস্থান এ বিষয়ে আমাদের জন্য সুস্পষ্ট নীতিমালা। আল্লাহই সর্বজ্ঞ।"
কপি
الرجل يصوم ويصلي ويعتكف أحب إليك، أو يتكلم في أهل البدع؟ فقال: “إذا قام وصلى واعتكف، فإنما هو لنفسه، وإذا تكلم في أهل البدع فإنما هو للمسلمين وهذا أفضل
"যে ব্যক্তি নফল সিয়াম পালন করে, নফল সালাত আদায় করে, ই‘তিকাফ করে সে আপনার নিকট বেশি প্রিয়, না-কি যে ব্যক্তি বিদআতীদের মুখোশ উম্মোচন করে সে বেশি প্রিয়? প্রতুত্তরে ইমাম আহমেদ (রাহি.) বলেন,"যে ব্যক্তি যখন সিয়াম, সালাত পালন করে তা শুধু তার নিজের কল্যাণেই করে থাকে, পক্ষান্তরে যখন বিদআতীদের মুখোশ উম্মোচনের কথা বলে তা সকল মুসলিমের কল্যাণ হয়ে থাকে। আর এটাই উত্তম"।(ইবনু তাইমিয়া;মাজমূউল ফাতওয়া,২৮শ খণ্ড,পৃষ্ঠা;২৩১)
.
"ইবাদত ও দাওয়াহ—উভয়ই ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য দায়িত্ব। তবে যখন সমাজে বিদআতের প্রভাব বিস্তৃত হয় এবং বিভ্রান্ত আকিদার কারণে মানুষ হক্ব থেকে দূরে সরে যায়, তখন সর্বাগ্রে জরুরি হয়ে দাঁড়ায় হক্ব প্রকাশ এবং বাতিল আক্বীদা ও কর্মপন্থার দৃঢ় প্রতিরোধ। এটাই ছিল ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রহিমাহুল্লাহ)-র পথ—যিনি নিজের যুগে হক্বের সপক্ষে অবিচল থেকে বাতিলের বিরুদ্ধে নির্ভীকভাবে অবস্থান নিয়েছিলেন। তাঁর অবস্থান এ বিষয়ে আমাদের জন্য সুস্পষ্ট নীতিমালা। আল্লাহই সর্বজ্ঞ।"
কপি