Salafi
Salafi User
- Joined
- Mar 24, 2024
- Threads
- 40
- Comments
- 51
- Reactions
- 467
- Thread Author
- #1
৫১৬০-[৬] আবু হুরায়রাহ্ (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: জাহান্নামকে কামনা-বাসনা দ্বারা ঢেকে রাখা হয়েছে। আর জান্নাতকে ঢেকে রাখা হয়েছে অপছন্দনীয় জিনিস দ্বারা। (বুখারী ও মুসলিম)
মুসলিম-এর বর্ণনায় (حُجِبَتِ) “ঢেকে রাখা হয়েছে” এর (শব্দের) স্থলে (خُفَّتْ) “ঘিরে রাখা হয়েছে” রয়েছে।
সহীহঃ বুখারী ৬৪৮৭, মুসলিম ১-(২৮২২), তিরমিযী ২৫৫৯, সহীহুল জামি' ৩১২৬, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ১৬৪০, মুসনাদে আহমাদ ৮৯৩১, মুসনাদে ‘আবৃদ ইবনু হুমায়দ ১৩১১, আবু ইয়া'লা ৩২৭৫, সহীহ ইবনু হিব্বান ৭১৬, শুআবুল ঈমান ৯৭৯৫, দারিমী ২৮৪৩।
ব্যাখ্যা : (حُجِبَتِ النَّارُ بِالشَّهَوَاتِ وَحُجِبَتِ الْجَنَّةُ بِالْمَكَارِهِ) এখানে (الشَّهَوَاتِ) দ্বারা উদ্দেশ্য হলো পার্থিব জগতের ঐ সকল বিষয় যা করতে ও বলতে অনেক মজাদার কিন্তু শারী'আত এগুলোকে হারাম হিসেবে গণ্য করেছে। যেমন মদপান করা, যিনা ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়া। এ কাজগুলো এভাবে ঘটতে পারে ১. নিষিদ্ধ কাজে মন উদগ্রীব থাকা, ২. শারী'আতের আবশ্যকীয় ও বৈধ বিষয় বর্জন করা। জাহান্নামকে এ সকল বিষয়াদি দ্বারাই সাজানো হয়েছে। আর(الْمَكَارِهِ) দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, এমন সব ‘আমল যেগুলো শারী'আতের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি স্বেচ্ছায় বা অনিচ্ছায় অত্যন্ত কষ্টের সাথে আদায় করে। এজন্যই ইসলামের অধিকাংশ ‘ইবাদাত কষ্টসাধ্য। এগুলোর মাধ্যমেই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করে একজন ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারে।
মোটকথা হলো কষ্টদায়ক কাজ সম্পাদন না করে জান্নাতে পৌঁছানো যাবে না যাকে মাকারিহ (অপছন্দনীয়) বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অনুরূপ জাহান্নামে সেই যাবে যে ব্যক্তি মনের চাহিদা অনুযায়ী কাজ সম্পাদন করবে। যা করতে আনন্দ লাগবে, মনে কোন কষ্ট মনে হবে না। জান্নাতকে কষ্টদায়ক কাজ দ্বারা ঘিরে রাখা হয়েছে। যে ব্যক্তি এই কষ্টের ঘেরাও অতিক্রম করবে সেই জান্নাতে যাবে। আর জাহান্নামকে আনন্দদায়ক কাজ দ্বারা ঘিরে রাখা হয়েছে। যে ব্যক্তি এ ঘেরাওয়ের মধ্যে আবদ্ধ হবে সেই জাহান্নামে যাবে। যদিও এখানে জান্নাত ও জাহান্নামের অবস্থা সম্পর্কে সংবাদ দেয়া হয়েছে তথাপি উদ্দেশ্য হলো ঐ সমস্ত কাজ সম্পর্কে নিষেধাজ্ঞা করা যে সমস্ত কাজ দ্বারা জাহান্নাম ঘিরে রাখা হয়েছে।
(শারুহুন্ নাবাবী ১৭শ খণ্ড, হা, ২৮২২/১; ফাতহুল বারী ১১শ খণ্ড, হা. ৬৪৮৭; তুহফাতুল আহওয়াযী ৬ষ্ঠ খণ্ড, হা. ২৫৫৯; মিক্বাতুল মাসাবীহ)
মুসলিম-এর বর্ণনায় (حُجِبَتِ) “ঢেকে রাখা হয়েছে” এর (শব্দের) স্থলে (خُفَّتْ) “ঘিরে রাখা হয়েছে” রয়েছে।
সহীহঃ বুখারী ৬৪৮৭, মুসলিম ১-(২৮২২), তিরমিযী ২৫৫৯, সহীহুল জামি' ৩১২৬, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ১৬৪০, মুসনাদে আহমাদ ৮৯৩১, মুসনাদে ‘আবৃদ ইবনু হুমায়দ ১৩১১, আবু ইয়া'লা ৩২৭৫, সহীহ ইবনু হিব্বান ৭১৬, শুআবুল ঈমান ৯৭৯৫, দারিমী ২৮৪৩।
ব্যাখ্যা : (حُجِبَتِ النَّارُ بِالشَّهَوَاتِ وَحُجِبَتِ الْجَنَّةُ بِالْمَكَارِهِ) এখানে (الشَّهَوَاتِ) দ্বারা উদ্দেশ্য হলো পার্থিব জগতের ঐ সকল বিষয় যা করতে ও বলতে অনেক মজাদার কিন্তু শারী'আত এগুলোকে হারাম হিসেবে গণ্য করেছে। যেমন মদপান করা, যিনা ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়া। এ কাজগুলো এভাবে ঘটতে পারে ১. নিষিদ্ধ কাজে মন উদগ্রীব থাকা, ২. শারী'আতের আবশ্যকীয় ও বৈধ বিষয় বর্জন করা। জাহান্নামকে এ সকল বিষয়াদি দ্বারাই সাজানো হয়েছে। আর(الْمَكَارِهِ) দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, এমন সব ‘আমল যেগুলো শারী'আতের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি স্বেচ্ছায় বা অনিচ্ছায় অত্যন্ত কষ্টের সাথে আদায় করে। এজন্যই ইসলামের অধিকাংশ ‘ইবাদাত কষ্টসাধ্য। এগুলোর মাধ্যমেই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করে একজন ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারে।
মোটকথা হলো কষ্টদায়ক কাজ সম্পাদন না করে জান্নাতে পৌঁছানো যাবে না যাকে মাকারিহ (অপছন্দনীয়) বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অনুরূপ জাহান্নামে সেই যাবে যে ব্যক্তি মনের চাহিদা অনুযায়ী কাজ সম্পাদন করবে। যা করতে আনন্দ লাগবে, মনে কোন কষ্ট মনে হবে না। জান্নাতকে কষ্টদায়ক কাজ দ্বারা ঘিরে রাখা হয়েছে। যে ব্যক্তি এই কষ্টের ঘেরাও অতিক্রম করবে সেই জান্নাতে যাবে। আর জাহান্নামকে আনন্দদায়ক কাজ দ্বারা ঘিরে রাখা হয়েছে। যে ব্যক্তি এ ঘেরাওয়ের মধ্যে আবদ্ধ হবে সেই জাহান্নামে যাবে। যদিও এখানে জান্নাত ও জাহান্নামের অবস্থা সম্পর্কে সংবাদ দেয়া হয়েছে তথাপি উদ্দেশ্য হলো ঐ সমস্ত কাজ সম্পর্কে নিষেধাজ্ঞা করা যে সমস্ত কাজ দ্বারা জাহান্নাম ঘিরে রাখা হয়েছে।
(শারুহুন্ নাবাবী ১৭শ খণ্ড, হা, ২৮২২/১; ফাতহুল বারী ১১শ খণ্ড, হা. ৬৪৮৭; তুহফাতুল আহওয়াযী ৬ষ্ঠ খণ্ড, হা. ২৫৫৯; মিক্বাতুল মাসাবীহ)