Informant
Reporter
Salafi User
- Joined
- Aug 6, 2024
- Threads
- 90
- Comments
- 100
- Solutions
- 1
- Reactions
- 1,293
- Thread Author
- #1
১. রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহর অনুসরণ
রাসূলুল্লাহ (সা.) শিশুদেরও কুনিয়া বা উপনামে ডাকতেন। সহীহ বুখারীতে বর্ণিত আছে, আনাস (রা.) বলেন:
"আমার এক ছোট ভাই ছিল যাকে 'আবু উমায়ের' বলা হতো আমার মনে হয় সে তখন কেবল দুধ পান ছেড়েছিল। যখনই রাসূলুল্লাহ (সা.) আমাদের বাড়িতে আসতেন, তিনি তাকে বলতেন:
'হে আবু উমায়ের, তোমার ছোট পাখিটির (নুগায়ের) কী হলো?'" (তার একটি ছোট পাখি ছিল যা নিয়ে সে খেলা করত)।
২. সন্তানের দীর্ঘায়ু কামনা করা
শিশুকে কুনিয়া বা উপনামে ডাকার মাধ্যমে এই আশা প্রকাশ করা হয় যে, সে দীর্ঘজীবী হবে, বড় হবে এবং তার নিজের সন্তান হবে।
এমনকি নিঃসন্তান বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও কুনিয়া ব্যবহার করা হয় এই আশায় যে, আল্লাহ তাকে সন্তান দান করবেন। সালাফগণ ছোট শিশুদের এবং যাদের সন্তান হয়নি তাদেরও কুনিয়া দিতেন।
এর একটি প্রমাণ হলো তাবারানী বর্ণিত হাদীস: রাসূলুল্লাহ (সা.) ইবনে মাসউদ (রা.)-কে 'আবু আবদির রহমান' কুনিয়া দিয়েছিলেন, অথচ তখনো তাঁর কোনো সন্তান হয়নি।
৩. খারাপ ডাকনাম থেকে শিশুদের রক্ষা করা
শিশুদের সম্মানজনক কুনিয়া দিলে মানুষ তাদের খারাপ বা অপমানজনক নামে ডাকার সুযোগ পায় না।
এই প্রসঙ্গে উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) বলেন: "তোমাদের সন্তানদের দ্রুত কুনিয়া দাও, যাতে খারাপ ডাকনাম তাদের ওপর জেঁকে বসতে না পারে।"
আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আলী বলেন: "ডাকনাম ছড়িয়ে পড়ার আগেই দ্রুত কুনিয়া দাও।"
তিনি আরও বলেন: "আমরা আমাদের সন্তানদের ছোটবেলাতেই কুনিয়া দিয়ে দিই এই ভয়ে যে, পাছে কোনো (মন্দ) ডাকনাম তাদের সাথে জুড়ে না যায়।"
ইমাম ইবনে আবদিল বার তাঁর 'বাহজাতুল মাজালিস ওয়া উনসুল মুজালিস' (পৃষ্ঠা ১৬৩) গ্রন্থে এই বর্ণনাগুলো উল্লেখ করেছেন।
৪. আরবীয় ঐতিহ্যের পুনরুজ্জীবন
আরবদের মধ্যে সম্মানসূচক উপনাম বা কুনিয়া দেওয়ার বিশেষ গুরুত্ব ও ঐতিহ্য ছিল। শিশুদের কুনিয়া দেওয়ার মাধ্যমে এই সুন্দর ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখা যায়।
উৎস: Salafi Homeschool
রাসূলুল্লাহ (সা.) শিশুদেরও কুনিয়া বা উপনামে ডাকতেন। সহীহ বুখারীতে বর্ণিত আছে, আনাস (রা.) বলেন:
"আমার এক ছোট ভাই ছিল যাকে 'আবু উমায়ের' বলা হতো আমার মনে হয় সে তখন কেবল দুধ পান ছেড়েছিল। যখনই রাসূলুল্লাহ (সা.) আমাদের বাড়িতে আসতেন, তিনি তাকে বলতেন:
'হে আবু উমায়ের, তোমার ছোট পাখিটির (নুগায়ের) কী হলো?'" (তার একটি ছোট পাখি ছিল যা নিয়ে সে খেলা করত)।
২. সন্তানের দীর্ঘায়ু কামনা করা
শিশুকে কুনিয়া বা উপনামে ডাকার মাধ্যমে এই আশা প্রকাশ করা হয় যে, সে দীর্ঘজীবী হবে, বড় হবে এবং তার নিজের সন্তান হবে।
এমনকি নিঃসন্তান বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও কুনিয়া ব্যবহার করা হয় এই আশায় যে, আল্লাহ তাকে সন্তান দান করবেন। সালাফগণ ছোট শিশুদের এবং যাদের সন্তান হয়নি তাদেরও কুনিয়া দিতেন।
এর একটি প্রমাণ হলো তাবারানী বর্ণিত হাদীস: রাসূলুল্লাহ (সা.) ইবনে মাসউদ (রা.)-কে 'আবু আবদির রহমান' কুনিয়া দিয়েছিলেন, অথচ তখনো তাঁর কোনো সন্তান হয়নি।
৩. খারাপ ডাকনাম থেকে শিশুদের রক্ষা করা
শিশুদের সম্মানজনক কুনিয়া দিলে মানুষ তাদের খারাপ বা অপমানজনক নামে ডাকার সুযোগ পায় না।
এই প্রসঙ্গে উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) বলেন: "তোমাদের সন্তানদের দ্রুত কুনিয়া দাও, যাতে খারাপ ডাকনাম তাদের ওপর জেঁকে বসতে না পারে।"
আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আলী বলেন: "ডাকনাম ছড়িয়ে পড়ার আগেই দ্রুত কুনিয়া দাও।"
তিনি আরও বলেন: "আমরা আমাদের সন্তানদের ছোটবেলাতেই কুনিয়া দিয়ে দিই এই ভয়ে যে, পাছে কোনো (মন্দ) ডাকনাম তাদের সাথে জুড়ে না যায়।"
ইমাম ইবনে আবদিল বার তাঁর 'বাহজাতুল মাজালিস ওয়া উনসুল মুজালিস' (পৃষ্ঠা ১৬৩) গ্রন্থে এই বর্ণনাগুলো উল্লেখ করেছেন।
৪. আরবীয় ঐতিহ্যের পুনরুজ্জীবন
আরবদের মধ্যে সম্মানসূচক উপনাম বা কুনিয়া দেওয়ার বিশেষ গুরুত্ব ও ঐতিহ্য ছিল। শিশুদের কুনিয়া দেওয়ার মাধ্যমে এই সুন্দর ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখা যায়।
উৎস: Salafi Homeschool