Active member
Contributor
Salafi User
- Joined
- Mar 24, 2024
- Threads
- 31
- Comments
- 42
- Reactions
- 364
- Thread Author
- #1
মাটি দেওয়ার সময় সাধারণ দু'আ হিসাবে শুধু ‘বিসমিল্লাহ' বলবে।(1)
(1) ১৫০৬. মুসলিম হা/৮৫২; মিশকাত হা/৪৫৬; বুখারী হা/৫৬২৩; মুসলিম হা/৫৩৬৬; মিশকাত হা/৪২৯৪
এ সময় ‘মিনহা খালাক্বনা-কুম’.. দু'আ পড়ার শারঈ কোন ভিত্তি নেই । তবে কবরে লাশ রাখার সময় উক্ত দু'আ পড়া সম্পর্কে মুসনাদে আহমাদে যে হাদীছ বর্ণিত হয়েছে, তা নিতান্তই যঈফ; বরং কেউ জাল বলেছেন ।
(أ) عَنْ أَبِي أُمَامَةَ قَالَ لَمَّا وُضِعَتْ أُمُّ كُلْتُوْمِ ابْنَةُ رَسُوْلِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْقَبْرِ قَالَ رَسُولُ الله ( منْهَا خَلَقْنَاكُمْ وَفِيهَا نُعِيدُكُمْ وَمِنْهَا نُخْرِجُكُمْ تَارَةً أُخْرَى) قَالَ ثُمَّ لَا أَدْرِئ أَقَالَ بِسْم الله وَفِي سَبِيلِ الله وَعَلَى مَلَّة رَسُول الله أم لا..
(ক) আবু উমামা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ)-এর কন্যা উম্মু কুলছূমকে যখন কবরে রাখা হয়, তখন রাসূল (ছাঃ) বলেছিলেন, ‘মিনহা খালাক্বনা-কুম ওয়া ফীহা নুঈদুকুম ওয়া মিনহা নুখরিজুকুম তারাতান উখরা'। অতঃপর তিনি “বিসমিল্লা-হি ওয়া ফী সাবীলিল্লা-হি ওয়া ‘আলা মিল্লাতি রাসূলিল্লা-হি’ বললেন কি-না আমি জানি না । ১৫০৭
১৫০৭. মুসনাদে আহমাদ হা/২২২৪১।
তাহক্বীক্ব : উক্ত বর্ণনা যঈফ কিংবা জাল। এর সনদে আলী ইবনু যায়েদ ইবনু জুদ'আন ও উবায়দুল্লাহ বিন যাহ্ নামে দুইজন পরিত্যক্ত রাবী আছে।১৫০৮
১৫০৮. আহমাদ ৫/২৫৪; তাকুরীবুত তাহযীব, পৃঃ ৪০১; ডঃ আব্দুল করীম বিন আব্দুল্লাহ আল-খাযীর, আল-হাদীছ যঈফ ওয়া হুকমুল ইহতিজাজি বিহী (রিয়াযঃ দারুল মুসলিম, ১৯৯৭/১৪১৭), পৃঃ ২৮৩-৮৪।
(ب) عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ قَالَ حَضَرْتُ ابْنَ عُمَرَ فِي جِنَازَةٍ فَلَمَّا وَضَعَهَا فِي اللحْدِ قَالَ بِسْمِ اللَّهِ وَفِي سَبِيلِ اللَّهِ وَعَلَى مِلَّةِ رَسُوْلِ اللَّهِ فَلَمَّا أُخِذَ فِي تَسْوِيَةٍ
اللبن على اللحد قَالَ اللهُمَّ أَجِرْهَا مِنَ الشَّيْطَانِ وَمِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ اللَّهُمَّ حَافِ الْأَرْضَ عَنْ جَنْبَيْهَا وَصَعَدْ رُوْحَهَا وَلَقَهَا مِنْكَ رِضْوَانًا قُلْتُ يَا ابْنَ عُمَرَ أَشَيْءٌ سَمِعْتَهُ مِنْ رَسُوْلِ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَمْ قُلْتَهُ بِرَأْيكَ قَالَ إِنِّي إِذًا لَقَادِرٌ عَلَى الْقَوْلِ بَلْ شَيْءٌ سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُوْلِ اللَّهِ . صلى الله عليه وسلم
(খ) সাঈদ ইবনু মুসাইয়াব (রাঃ) বলেন, আমি একদা ইবনু ওমর (রাঃ)-এর সাথে এক জানাযায় উপস্থিত হয়েছিলাম। যখন জানাযাকে লাহাদে রাখা হল তখন তিনি বললেন, “বিসমিল্লা-হি ওয়া ফী সাবীলিল্লা-হি ওয়া ‘আলা মিল্লাতি রাসূলিল্লা-হি'। অতঃপর যখন লাহাদে ইট দেয়া শুরু হল তখন তিনি বললেন, ‘আল্লাহুম্মা আজিরহা মিনাশ শায়ত্ব-নির রজীম ওয়া মিন আযাবিল কবরি । আল্লা-হুম্মা জাফিল আরযা আন জানবাইহা ওয়া ছাই‘য়িদ রূহাহা ওয়া লাক্কিহা মিনকা রিযওয়ানা'। আমি বললাম, হে ইবনু ওমর (রাঃ)! আপনি কি এটা রাসূল (ছাঃ) থেকে শুনেছেন না নিজে থেকেই বললেন? তিনি বললেন, আমি কি কোন কথা বলার সাধ্য রাখি? বরং আমি এটি রাসূল (ছাঃ)-এর কাছে শুনেছি । ১৫০৯
১৫০৯. ইবনে মাজাহ হা/১৫৫৩, পৃঃ ১১১, ‘জানাযা’ অধ্যায়, অনুচ্ছেদ-৩৮
তাহক্বীক্ব : বর্ণনাটি যঈফ। এর সনদে হাম্মাদ ইবনু আব্দুর রহমান নামে প্রসিদ্ধ যঈফ রাবী আছে । ১৫১০
১৫১০. যঈফ ইবনে মাজাহ হা/১৫৫৩।
জ্ঞাতব্য : প্রচলিত আছে যে, প্রথম মুষ্টিতে বলতে হবে ‘মিনহা খালাক্বনা-কুম' দ্বিতীয় মুষ্টিতে বলতে হবে ‘ওয়া ফীহা নুঈদুকুম' এবং তৃতীয় মুষ্টিতে বলতে হবে ‘ওয়া মিনহা নুখরিজুকুম তারাতান উখরা'। উক্ত দাবীর পক্ষে কোন দলীল নেই ।
দোআ: [৫৮.২] মৃতকে কবরস্থ করার দুআ-২
সহীহ হাদীসে বর্ণিত যে, মৃতকে কবরস্থ করার পরে উপস্থিত ব্যক্তিদের জন্য সুন্নাত তিন বার দু হাত ভরে মাটি কবরে ফেলা।
أَنَّ رَسُولَ اللّٰهِ (ﷺ ) صَلَّى عَلَى جِنَازَةٍ ثُمَّ أَتَى قَبْرَ الْمَيِّتِ فَحَثَى عَلَيْهِ مِنْ قِبَلِ رَأْسِهِ ثَلَاثًا
“রাসূলুল্লাহ (স) একটি জানাযার সালাত আদায় করলেন। এরপর মৃতের কবের গিয়ে তার মাথার দিক থেকে তার উপর তিনবার মাটি ফেললেন।”[১]
মাাটি ফেলার সময় কোনো দুআ পাঠ করার কথা এ হাদীসে নেই। তবে আবূ উমামা (রা) থেকে অত্যন্ত দুর্বল সনদে বর্ণিত একটি হাদীসের বলা হয়েছে:
“যখন রাসূলুল্লাহ (স)-এর কন্যা উম্মু কুলসূম (রা) কে কবরে রাখা হলো তখন তিনি বলেন: ‘মিনহা খালাক্কনা-কুম ওয়া ফীহা নূ‘য়ীদুকুম ও মিনহা- নুখরিজুকুম তা-রাতান উখরা-’ (মাটি থেকে তোমাদের সৃষ্টি করেছি, মাটিতেই তোমাদের ফিরিয়ে আনব এবং মাটি থেকেই পুনর্বার তোমাদের বের করব: সূরা ত্বাহা ৫৫ আয়াত)। তিনি এরপর বিসমিল্লাহি ওয়া আলা সাবীলিল্লাহ ও আলা মিল্লাতি রাসূলিল্লাহ (স) বলেছিলেন কিনা তা জানি না।”
মুহাদ্দিসগণ একমত যে, হাদীসটি অত্যন্ত দুর্বল। কোনো কোনো মুহাদ্দিস হাদীসটি জাল বলে গণ্য করেছেন। কারণ, হাদীসটির বর্ণনাকারী উবাইদুল্লাহ ইবন যাহর এবং তার উস্তাদ আলী ইবন ইয়াযীদ আলহানী উভয়েই অত্যন্ত দুর্বল রাবী এবং জাল হাদীস বর্ণনা করতেন বলে সুস্পষ্ট অভিযোগ রয়েছে। এজন্য বাইহাকী, নববী, যাহাবী, ইবন হাজার আসকালানী, হাইসামী ও অন্যান্য সকল প্রাচীন ও সমকালীন মুহাদ্দিস হাদীসটিকে অত্যন্ত দুর্বল বা জাল বলে গণ্য করেছেন। [২]
উল্লেখ্য যে, এ দুর্বল হাদীসে বলা হয়েছে যে, এ আয়াতটি পূর্বের দুআটির (বিসমিল্লাহি ওয়া আলা মিল্লাতি..) পূর্বে পড়তে হবে। এ আয়াতটি মাটি ফেলার সময় পড়তে হবে, অথবা তিন বার মাটি ফেলার সময় আয়াতটিকে তিনভাগ করে পড়তে হবে বলে এ হাদীসের কোনোরূপ নির্দেশনা নেই।
[১] হাদিসটি সহীহ। ইবন মাজাহ (৬-কিতাবুল জানাইয, ৪৪-বাব ... হাসবিত্তুরাব...) ১/৪৯৯ (ভারতীয় ২/১১২); বূসীরী, মিসবাহুয যুজাজাহ ২/৪১; আলবানী, ইরওয়াউল গালীল ৩/২০০।[২] আহমাদ, আল-মুসনাদ ৫/২৫৪; হাকিম, আল-মুসতাদরাক ২/৪১১; বাইহাকী, আস-সুনানুল কুবরা ৩/৪০৯; ইবনু হাজার, তালখীসুল হাবীর ২/৩০১; হাইসামী, মাজমাউয যাওয়ায়িদ ৩/১৬০; আলবানী, আহকামুল জানাইয, পৃষ্ঠা ১৫৩; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২৪৩
(1) ১৫০৬. মুসলিম হা/৮৫২; মিশকাত হা/৪৫৬; বুখারী হা/৫৬২৩; মুসলিম হা/৫৩৬৬; মিশকাত হা/৪২৯৪
এ সময় ‘মিনহা খালাক্বনা-কুম’.. দু'আ পড়ার শারঈ কোন ভিত্তি নেই । তবে কবরে লাশ রাখার সময় উক্ত দু'আ পড়া সম্পর্কে মুসনাদে আহমাদে যে হাদীছ বর্ণিত হয়েছে, তা নিতান্তই যঈফ; বরং কেউ জাল বলেছেন ।
(أ) عَنْ أَبِي أُمَامَةَ قَالَ لَمَّا وُضِعَتْ أُمُّ كُلْتُوْمِ ابْنَةُ رَسُوْلِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْقَبْرِ قَالَ رَسُولُ الله ( منْهَا خَلَقْنَاكُمْ وَفِيهَا نُعِيدُكُمْ وَمِنْهَا نُخْرِجُكُمْ تَارَةً أُخْرَى) قَالَ ثُمَّ لَا أَدْرِئ أَقَالَ بِسْم الله وَفِي سَبِيلِ الله وَعَلَى مَلَّة رَسُول الله أم لا..
(ক) আবু উমামা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ)-এর কন্যা উম্মু কুলছূমকে যখন কবরে রাখা হয়, তখন রাসূল (ছাঃ) বলেছিলেন, ‘মিনহা খালাক্বনা-কুম ওয়া ফীহা নুঈদুকুম ওয়া মিনহা নুখরিজুকুম তারাতান উখরা'। অতঃপর তিনি “বিসমিল্লা-হি ওয়া ফী সাবীলিল্লা-হি ওয়া ‘আলা মিল্লাতি রাসূলিল্লা-হি’ বললেন কি-না আমি জানি না । ১৫০৭
১৫০৭. মুসনাদে আহমাদ হা/২২২৪১।
তাহক্বীক্ব : উক্ত বর্ণনা যঈফ কিংবা জাল। এর সনদে আলী ইবনু যায়েদ ইবনু জুদ'আন ও উবায়দুল্লাহ বিন যাহ্ নামে দুইজন পরিত্যক্ত রাবী আছে।১৫০৮
১৫০৮. আহমাদ ৫/২৫৪; তাকুরীবুত তাহযীব, পৃঃ ৪০১; ডঃ আব্দুল করীম বিন আব্দুল্লাহ আল-খাযীর, আল-হাদীছ যঈফ ওয়া হুকমুল ইহতিজাজি বিহী (রিয়াযঃ দারুল মুসলিম, ১৯৯৭/১৪১৭), পৃঃ ২৮৩-৮৪।
(ب) عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ قَالَ حَضَرْتُ ابْنَ عُمَرَ فِي جِنَازَةٍ فَلَمَّا وَضَعَهَا فِي اللحْدِ قَالَ بِسْمِ اللَّهِ وَفِي سَبِيلِ اللَّهِ وَعَلَى مِلَّةِ رَسُوْلِ اللَّهِ فَلَمَّا أُخِذَ فِي تَسْوِيَةٍ
اللبن على اللحد قَالَ اللهُمَّ أَجِرْهَا مِنَ الشَّيْطَانِ وَمِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ اللَّهُمَّ حَافِ الْأَرْضَ عَنْ جَنْبَيْهَا وَصَعَدْ رُوْحَهَا وَلَقَهَا مِنْكَ رِضْوَانًا قُلْتُ يَا ابْنَ عُمَرَ أَشَيْءٌ سَمِعْتَهُ مِنْ رَسُوْلِ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَمْ قُلْتَهُ بِرَأْيكَ قَالَ إِنِّي إِذًا لَقَادِرٌ عَلَى الْقَوْلِ بَلْ شَيْءٌ سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُوْلِ اللَّهِ . صلى الله عليه وسلم
(খ) সাঈদ ইবনু মুসাইয়াব (রাঃ) বলেন, আমি একদা ইবনু ওমর (রাঃ)-এর সাথে এক জানাযায় উপস্থিত হয়েছিলাম। যখন জানাযাকে লাহাদে রাখা হল তখন তিনি বললেন, “বিসমিল্লা-হি ওয়া ফী সাবীলিল্লা-হি ওয়া ‘আলা মিল্লাতি রাসূলিল্লা-হি'। অতঃপর যখন লাহাদে ইট দেয়া শুরু হল তখন তিনি বললেন, ‘আল্লাহুম্মা আজিরহা মিনাশ শায়ত্ব-নির রজীম ওয়া মিন আযাবিল কবরি । আল্লা-হুম্মা জাফিল আরযা আন জানবাইহা ওয়া ছাই‘য়িদ রূহাহা ওয়া লাক্কিহা মিনকা রিযওয়ানা'। আমি বললাম, হে ইবনু ওমর (রাঃ)! আপনি কি এটা রাসূল (ছাঃ) থেকে শুনেছেন না নিজে থেকেই বললেন? তিনি বললেন, আমি কি কোন কথা বলার সাধ্য রাখি? বরং আমি এটি রাসূল (ছাঃ)-এর কাছে শুনেছি । ১৫০৯
১৫০৯. ইবনে মাজাহ হা/১৫৫৩, পৃঃ ১১১, ‘জানাযা’ অধ্যায়, অনুচ্ছেদ-৩৮
তাহক্বীক্ব : বর্ণনাটি যঈফ। এর সনদে হাম্মাদ ইবনু আব্দুর রহমান নামে প্রসিদ্ধ যঈফ রাবী আছে । ১৫১০
১৫১০. যঈফ ইবনে মাজাহ হা/১৫৫৩।
জ্ঞাতব্য : প্রচলিত আছে যে, প্রথম মুষ্টিতে বলতে হবে ‘মিনহা খালাক্বনা-কুম' দ্বিতীয় মুষ্টিতে বলতে হবে ‘ওয়া ফীহা নুঈদুকুম' এবং তৃতীয় মুষ্টিতে বলতে হবে ‘ওয়া মিনহা নুখরিজুকুম তারাতান উখরা'। উক্ত দাবীর পক্ষে কোন দলীল নেই ।
দোআ: [৫৮.২] মৃতকে কবরস্থ করার দুআ-২
সহীহ হাদীসে বর্ণিত যে, মৃতকে কবরস্থ করার পরে উপস্থিত ব্যক্তিদের জন্য সুন্নাত তিন বার দু হাত ভরে মাটি কবরে ফেলা।
أَنَّ رَسُولَ اللّٰهِ (ﷺ ) صَلَّى عَلَى جِنَازَةٍ ثُمَّ أَتَى قَبْرَ الْمَيِّتِ فَحَثَى عَلَيْهِ مِنْ قِبَلِ رَأْسِهِ ثَلَاثًا
“রাসূলুল্লাহ (স) একটি জানাযার সালাত আদায় করলেন। এরপর মৃতের কবের গিয়ে তার মাথার দিক থেকে তার উপর তিনবার মাটি ফেললেন।”[১]
মাাটি ফেলার সময় কোনো দুআ পাঠ করার কথা এ হাদীসে নেই। তবে আবূ উমামা (রা) থেকে অত্যন্ত দুর্বল সনদে বর্ণিত একটি হাদীসের বলা হয়েছে:
“যখন রাসূলুল্লাহ (স)-এর কন্যা উম্মু কুলসূম (রা) কে কবরে রাখা হলো তখন তিনি বলেন: ‘মিনহা খালাক্কনা-কুম ওয়া ফীহা নূ‘য়ীদুকুম ও মিনহা- নুখরিজুকুম তা-রাতান উখরা-’ (মাটি থেকে তোমাদের সৃষ্টি করেছি, মাটিতেই তোমাদের ফিরিয়ে আনব এবং মাটি থেকেই পুনর্বার তোমাদের বের করব: সূরা ত্বাহা ৫৫ আয়াত)। তিনি এরপর বিসমিল্লাহি ওয়া আলা সাবীলিল্লাহ ও আলা মিল্লাতি রাসূলিল্লাহ (স) বলেছিলেন কিনা তা জানি না।”
মুহাদ্দিসগণ একমত যে, হাদীসটি অত্যন্ত দুর্বল। কোনো কোনো মুহাদ্দিস হাদীসটি জাল বলে গণ্য করেছেন। কারণ, হাদীসটির বর্ণনাকারী উবাইদুল্লাহ ইবন যাহর এবং তার উস্তাদ আলী ইবন ইয়াযীদ আলহানী উভয়েই অত্যন্ত দুর্বল রাবী এবং জাল হাদীস বর্ণনা করতেন বলে সুস্পষ্ট অভিযোগ রয়েছে। এজন্য বাইহাকী, নববী, যাহাবী, ইবন হাজার আসকালানী, হাইসামী ও অন্যান্য সকল প্রাচীন ও সমকালীন মুহাদ্দিস হাদীসটিকে অত্যন্ত দুর্বল বা জাল বলে গণ্য করেছেন। [২]
উল্লেখ্য যে, এ দুর্বল হাদীসে বলা হয়েছে যে, এ আয়াতটি পূর্বের দুআটির (বিসমিল্লাহি ওয়া আলা মিল্লাতি..) পূর্বে পড়তে হবে। এ আয়াতটি মাটি ফেলার সময় পড়তে হবে, অথবা তিন বার মাটি ফেলার সময় আয়াতটিকে তিনভাগ করে পড়তে হবে বলে এ হাদীসের কোনোরূপ নির্দেশনা নেই।
[১] হাদিসটি সহীহ। ইবন মাজাহ (৬-কিতাবুল জানাইয, ৪৪-বাব ... হাসবিত্তুরাব...) ১/৪৯৯ (ভারতীয় ২/১১২); বূসীরী, মিসবাহুয যুজাজাহ ২/৪১; আলবানী, ইরওয়াউল গালীল ৩/২০০।[২] আহমাদ, আল-মুসনাদ ৫/২৫৪; হাকিম, আল-মুসতাদরাক ২/৪১১; বাইহাকী, আস-সুনানুল কুবরা ৩/৪০৯; ইবনু হাজার, তালখীসুল হাবীর ২/৩০১; হাইসামী, মাজমাউয যাওয়ায়িদ ৩/১৬০; আলবানী, আহকামুল জানাইয, পৃষ্ঠা ১৫৩; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২৪৩