If you're in doubt ask الله.
Forum Staff
Moderator
Generous
ilm Seeker
Uploader
Exposer
HistoryLover
Q&A Master
Salafi User
সর্বাধিক শ্রেষ্ঠ ইবাদতগুলোর অন্যতম হলো দুআ করা।[1] যে-ব্যক্তি আল্লাহর কাছে দুআ করে না, আল্লাহ তার ওপর রাগান্বিত হন।[2] এ কারণে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে বেশি বেশি দুআ করতে বলেছেন। উবাদাহ ইবন সামিত রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, পৃথিবীতে যে মুসলিম লোকই আল্লাহ তাআলার নিকটে কোনো কিছুর জন্য দুআ করে, অবশ্যই আল্লাহ তাআলা তাকে তা দান করেন কিংবা তার হতে একই রকম পরিমাণ ক্ষতি সরিয়ে দেন, যতক্ষণ না সে পাপে জড়িত হওয়ার জন্য অথবা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার দুআ করে। সমবেত ব্যক্তিদের একজন বলে, তাহলে আমরা অত্যধিক দুআ করতে পারি। তিনি বলেন, আল্লাহ তাআলা তার চাইতেও বেশি কবুলকারী।[3]
অন্য হাদীসে তিনি আরও বলেন, ‘তোমাদের কেউ যদি চায় ও কামনা করে, তাহলে সে যেন বেশি বেশি চায় ও কামনা করে। কেননা সে তো তার রবের কাছে চাচ্ছে।’[4]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে অবস্থায় বেশি বেশি দুআ করতে বলেছেন, তার অন্যতম হলো সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের সময়। আবূ হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে-লোক বিপদাপদ ও সংকটের সময় আল্লাহ তাআলার অনুগ্রহ লাভ করতে চায়, সে যেন সুখ- স্বাচ্ছন্দ্যের সময় বেশি পরিমাণে দুআ করে।[5]
দ্বিতীয় অবস্থা: দুআর সময় বেশি বেশি চাওয়া
কাজেই যখন আমরা আল্লাহর কাছে চাইবো, তখন একটা জিনিস চেয়ে বা একবার চেয়ে চুপ থাকবো না; বরং অনেক জিনিস ও অনেকবার চাইবো। কারণ, আমরা তো মহান ও শ্রেষ্ঠদাতার কাছে চাই; কোনো কৃপণ সত্তার কাছে চাই না। এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘তোমাদের কেউ যদি চায় ও কামনা করে, তাহলে সে যেন বেশি বেশি চায় ও কামনা করে। কেননা সে তো তার রবের কাছে চাচ্ছে।’[6]
তৃতীয় অবস্থা: ইসতিসকা বা বৃষ্টিতলবের সালাতের পর
আবদুল্লাহ ইবন যাইদ ইবন আসিম রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দেখেছি, যখন তিনি আমাদের জন্য বৃষ্টি চাইতেন তখন লম্বা দুআ করতেন এবং অনেক চাইতেন।[7]
চতুর্থ অবস্থা: সাজদায়
আবূ হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বান্দা সাজদার সময়ে মহান আল্লাহর সর্বাধিক নৈকট্য লাভ করে। কাজেই এ সময় তোমরা অধিক পরিমাণে দুআ করবে।[8]
[1] সুনানুত তিরমিযী, ৩২৪৭; সুনানু আবী দাউদ, ১৪৭৯; সুনানু ইবন মাজাহ, ৩৮২৮; হাদীসগুলো সহীহ
[2] সুনানুত তিরমিযী, ৩৩৭৩; সুনান ইবন মাজাহ, ৩৮২৭; সহীহুল জামি, ২৪১৮; আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন
[3] সুনানুত তিরমিযী, ৩৫৭৩; আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন
[4] সহীহ ইবন হিব্বান, ৮৮৯; সিলসিলাতুস সহীহাহ, ১২৬৬; আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন
[5] সুনানুত তিরমিযী, ৩৩৮৩; সহীহুল জামি, ৬২৯০; আলবানী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন
[6] সহীহ ইবন হিব্বান, ৮৮৯; সিলসিলাতুস সহীহাহ, ১২৬৬; আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন
[7] মুসনাদ আহমাদ, ১৬০৩০; ইরওয়াউল গালীল, ৬৭৬; আলবানী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন
[8] সহীহ মুসলিম, ৪৮২; সুনানুন নাসায়ী, ১১৩৭; সুনানু আবী দাউদ, ৮৭৫
অন্য হাদীসে তিনি আরও বলেন, ‘তোমাদের কেউ যদি চায় ও কামনা করে, তাহলে সে যেন বেশি বেশি চায় ও কামনা করে। কেননা সে তো তার রবের কাছে চাচ্ছে।’[4]
যেসব অবস্থায় বেশি বেশি দুআ করা মুস্তাহাব
প্রথম অবস্থা: সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের সময়রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে অবস্থায় বেশি বেশি দুআ করতে বলেছেন, তার অন্যতম হলো সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের সময়। আবূ হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে-লোক বিপদাপদ ও সংকটের সময় আল্লাহ তাআলার অনুগ্রহ লাভ করতে চায়, সে যেন সুখ- স্বাচ্ছন্দ্যের সময় বেশি পরিমাণে দুআ করে।[5]
দ্বিতীয় অবস্থা: দুআর সময় বেশি বেশি চাওয়া
কাজেই যখন আমরা আল্লাহর কাছে চাইবো, তখন একটা জিনিস চেয়ে বা একবার চেয়ে চুপ থাকবো না; বরং অনেক জিনিস ও অনেকবার চাইবো। কারণ, আমরা তো মহান ও শ্রেষ্ঠদাতার কাছে চাই; কোনো কৃপণ সত্তার কাছে চাই না। এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘তোমাদের কেউ যদি চায় ও কামনা করে, তাহলে সে যেন বেশি বেশি চায় ও কামনা করে। কেননা সে তো তার রবের কাছে চাচ্ছে।’[6]
তৃতীয় অবস্থা: ইসতিসকা বা বৃষ্টিতলবের সালাতের পর
আবদুল্লাহ ইবন যাইদ ইবন আসিম রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দেখেছি, যখন তিনি আমাদের জন্য বৃষ্টি চাইতেন তখন লম্বা দুআ করতেন এবং অনেক চাইতেন।[7]
চতুর্থ অবস্থা: সাজদায়
আবূ হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বান্দা সাজদার সময়ে মহান আল্লাহর সর্বাধিক নৈকট্য লাভ করে। কাজেই এ সময় তোমরা অধিক পরিমাণে দুআ করবে।[8]
[1] সুনানুত তিরমিযী, ৩২৪৭; সুনানু আবী দাউদ, ১৪৭৯; সুনানু ইবন মাজাহ, ৩৮২৮; হাদীসগুলো সহীহ
[2] সুনানুত তিরমিযী, ৩৩৭৩; সুনান ইবন মাজাহ, ৩৮২৭; সহীহুল জামি, ২৪১৮; আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন
[3] সুনানুত তিরমিযী, ৩৫৭৩; আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন
[4] সহীহ ইবন হিব্বান, ৮৮৯; সিলসিলাতুস সহীহাহ, ১২৬৬; আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন
[5] সুনানুত তিরমিযী, ৩৩৮৩; সহীহুল জামি, ৬২৯০; আলবানী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন
[6] সহীহ ইবন হিব্বান, ৮৮৯; সিলসিলাতুস সহীহাহ, ১২৬৬; আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন
[7] মুসনাদ আহমাদ, ১৬০৩০; ইরওয়াউল গালীল, ৬৭৬; আলবানী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন
[8] সহীহ মুসলিম, ৪৮২; সুনানুন নাসায়ী, ১১৩৭; সুনানু আবী দাউদ, ৮৭৫