উত্তর: শরী'আত সম্মত রুক্কইয়া বা ঝাড়-ফুঁক হলো, কুরআন থেকে অথবা মাসনুন দু'আ থেকে পড়ে রোগীর ওপর বা ব্যাথার স্থানে ফুঁক দেয়া। আর ঝাড়-ফুঁক করা জায়েয।
এ বিষয়ে প্রিয় নাবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
রুক্কইয়া বা ঝাড়-ফুঁক করতে কোন অসুবিধা নেই, যদি তা শিরক মুক্ত হয়"। (মুসলিম হা/২২০০, আবু দাউদ হা/৩৮৮-৬, আছ-ছহীহাহ হা/১০৬৬)
তবে রুক্কইয়া বা ঝাড়-ফুঁক জায়েয হওয়া বিষয়ে শর্ত এই যে, তা শিরক মুক্ত হতে হবে, এ বিশ্বাস রাখবে যে ঝাড়ফুঁকের নিজস্ব কোন প্রভাব নেই বরং তা একটি উপায় উপকরণ মাত্র, উপকার অপকার আল্লাহ তা'আলার হাতে। সেই ঝাড়-ফুঁক আরবী ভাষায় হতে হবে অথবা এমন ভাষায় হতে হবে যার অর্থ বোধগম্য হয় এবং আল্লাহর বাণী, তাঁর নাম ও গুণাবলি দিয়ে হতে হবে।
এ বিষয়ে প্রিয় নাবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
لَا بَأْسَ بِالرُّقَى مَا لَمْ تَكُنْ شِرْكًا
রুক্কইয়া বা ঝাড়-ফুঁক করতে কোন অসুবিধা নেই, যদি তা শিরক মুক্ত হয়"। (মুসলিম হা/২২০০, আবু দাউদ হা/৩৮৮-৬, আছ-ছহীহাহ হা/১০৬৬)
তবে রুক্কইয়া বা ঝাড়-ফুঁক জায়েয হওয়া বিষয়ে শর্ত এই যে, তা শিরক মুক্ত হতে হবে, এ বিশ্বাস রাখবে যে ঝাড়ফুঁকের নিজস্ব কোন প্রভাব নেই বরং তা একটি উপায় উপকরণ মাত্র, উপকার অপকার আল্লাহ তা'আলার হাতে। সেই ঝাড়-ফুঁক আরবী ভাষায় হতে হবে অথবা এমন ভাষায় হতে হবে যার অর্থ বোধগম্য হয় এবং আল্লাহর বাণী, তাঁর নাম ও গুণাবলি দিয়ে হতে হবে।