উত্তর: সুমহান কিতাব হলো, মহাগ্রন্থ আল-কুরআন[১১], যেটি মুহাম্মাদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর আল্লাহ তা'আলা নাযিল করেছেন এবং তা সকল আসমানী কিতাবকে মানসুখ বা রহিতকারী।
সুতরাং কুরআনের বিধান ব্যতীত অন্য কিছুর দ্বারা আল্লাহর ইবাদত করা জায়েয নয়।
এই মর্মে আল্লাহ তা'আলার বাণী:
[১১] কুরআনের প্রতি আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য:
১। পবিত্র কুরআনুল কারীমকে ভালোবাসা ও সম্মান করা আমাদের উপর ফরয। কেননা, এটা মহান রব্বুল 'আলামীনের বাণী। সঙ্গত কারণেই তা সর্বাধিক সত্য এবং উত্তম কথা।
২। কুরআন মাজীদ পড়া, এর আয়াত ও সূরাহসমূহ নিয়ে গবেষণা করা, কুরআনের নছীহত, সংবাদসমূহ এবং ঘটনাবলি নিয়ে চিন্তা করা আমাদের একান্ত কর্তব্য।
৩। কুরআনের হুকুম-আহকাম, আদেশ-নিষেধ এবং শিষ্টাচারগুলোর অনুসরণ ও আনুগত্য করা আমাদের জন্য ফরয।
সুতরাং কুরআনের বিধান ব্যতীত অন্য কিছুর দ্বারা আল্লাহর ইবাদত করা জায়েয নয়।
এই মর্মে আল্লাহ তা'আলার বাণী:
وَأَنزَلْنَا إِلَيْكَ الْكِتَابَ بِالْحَقِّ مُصَدِّقًا لِمَا بَيْنَ يَدَيْهِ مِنَ الْكِتَابِ وَمُهَيْمِنًا عَلَيْهِ
আমরা আপনার প্রতি অবতীর্ণ করেছি সত্য কিতাব যা পূর্ববর্তী কিতাব সমূহের সত্যায়নকারী এবং সেগুলোর বিষয়বস্তুর রক্ষণাবেক্ষণকারী। (সূরা আল-মায়িদা ৫:৪৮)[১১] কুরআনের প্রতি আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য:
১। পবিত্র কুরআনুল কারীমকে ভালোবাসা ও সম্মান করা আমাদের উপর ফরয। কেননা, এটা মহান রব্বুল 'আলামীনের বাণী। সঙ্গত কারণেই তা সর্বাধিক সত্য এবং উত্তম কথা।
২। কুরআন মাজীদ পড়া, এর আয়াত ও সূরাহসমূহ নিয়ে গবেষণা করা, কুরআনের নছীহত, সংবাদসমূহ এবং ঘটনাবলি নিয়ে চিন্তা করা আমাদের একান্ত কর্তব্য।
৩। কুরআনের হুকুম-আহকাম, আদেশ-নিষেধ এবং শিষ্টাচারগুলোর অনুসরণ ও আনুগত্য করা আমাদের জন্য ফরয।