উত্তর: ঈমানের মূল ভিত্তি ছয়টি। যথা -
১। আল্লাহ তা'আলার প্রতি বিশ্বাস (الإيمان بالله)
২। মালাঈকা বা ফেরেশতাগণের প্রতি বিশ্বাস (الإيمان بالملائكة)
৩। আসমানী কিতাবসমূহের প্রতি বিশ্বাস (الإيمان بالكتب)
৪। রসূলগণের প্রতি বিশ্বাস (الإيمان بالرسل)
৫। আখিরাত বা শেষ দিবসের প্রতি বিশ্বাস (الإيمان باليوم الآخر)
৬। তাক্বদীরের ভালো মন্দের প্রতি বিশ্বাস (الإيمان بالقدر خيره وشره)
এর প্রমাণে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাণী:
ঈমান হলো, তুমি আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসাথ রাখবে, তাঁর মালাঈকা বা ফেরেশতাদের প্রতি বিশ্বাস[৭] রাখবে, আসমানী কিতাবসমূহের প্রতি বিশ্বাস রাখবে, রসূলগণের প্রতি বিশ্বাসা[৮]। রাখবে, আখিরাত বা শেষ দিবসের প্রতি বিশ্বাস রাখবে এবং তাক্বদীরের ভালোমন্দের প্রতিও বিশ্বাস রাখবে। (ছহীহ মুসলিম হা/৮)
[৭] আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার অর্থ: আল্লাহর অস্তিত্বকে নিশ্চিত ও দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করা। প্রভুত্ব, ইবাদত এবং নাম ও গুণাবলির ক্ষেত্রে আল্লাহর একত্বকে স্বীকার করা। আল্লাহর প্রতি ঈমান চারটি বিষয়কে শামিল করে:
১। আল্লাহ তা'আলার অস্তিত্বে নিশ্চিতভাবে বিশ্বাস করা।
২। আল্লাহর তা'আলার প্রভুত্বে বিশ্বাস স্থাপন করা।
৩। আল্লাহ তা'আলাই একমাত্র সত্য ইলাহ্ ও ইবাদতের যোগ্য এ বিশ্বাস রাখা।
৪। আল্লাহর নাম ও গুণাবলির উপর বিশ্বাস রাখা।
[৮] রসূলগণের প্রতি ঈমান চারটি বিষয়কে শামিল করে:
প্রথম: এ বিশ্বাস রাখা যে তাদের সকলের রিসালাত আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে আগত এবং সত্য। অতএব, কেউ কোন একজন রসূলের (আলাইহিমুস্ সালাম) রিসালাতকে অস্বীকার করলে সে যেন সকল নবীর রিসালাতকে অস্বীকার করলো।
দ্বিতীয়: আল্লাহ্ যে সকল নাবীর নাম উল্লেখ করেছেন তাদের প্রতি ঈমান আনা। যেমন: মুহাম্মাদ, ইব্রাহীম, মূসা, ঈসা এবং নূহ আলাইহিমুস্ সালাম। আর যে সকল নবীর নাম আমরা জানি না তাদের প্রতি সংক্ষিপ্ত বা মৌলিক ভাবে ঈমান আনতে হবে।
তৃতীয়: রসূলগণের বিশুদ্ধ সংবাদগুলোকে সত্যায়ণ করা।
চতুর্থ: আমাদের নিকটে যে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রেরণ করা হয়েছে তার শরী'আত মোতাবেক আমল করা। তিনি হলেন সর্বোত্তম এবং শেষ নবী ও রাসুল মুহাম্মাদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
১। আল্লাহ তা'আলার প্রতি বিশ্বাস (الإيمان بالله)
২। মালাঈকা বা ফেরেশতাগণের প্রতি বিশ্বাস (الإيمان بالملائكة)
৩। আসমানী কিতাবসমূহের প্রতি বিশ্বাস (الإيمان بالكتب)
৪। রসূলগণের প্রতি বিশ্বাস (الإيمان بالرسل)
৫। আখিরাত বা শেষ দিবসের প্রতি বিশ্বাস (الإيمان باليوم الآخر)
৬। তাক্বদীরের ভালো মন্দের প্রতি বিশ্বাস (الإيمان بالقدر خيره وشره)
এর প্রমাণে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাণী:
الْإِيمَانِ، أَنْ تُؤْمن بالله وملائكته وكتبه ورسله، وَالْيَوْمِ الْآخِرِ، وَتُؤْمِنَ بِالْقَدَرِ خيره وشره
ঈমান হলো, তুমি আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসাথ রাখবে, তাঁর মালাঈকা বা ফেরেশতাদের প্রতি বিশ্বাস[৭] রাখবে, আসমানী কিতাবসমূহের প্রতি বিশ্বাস রাখবে, রসূলগণের প্রতি বিশ্বাসা[৮]। রাখবে, আখিরাত বা শেষ দিবসের প্রতি বিশ্বাস রাখবে এবং তাক্বদীরের ভালোমন্দের প্রতিও বিশ্বাস রাখবে। (ছহীহ মুসলিম হা/৮)
[৭] আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার অর্থ: আল্লাহর অস্তিত্বকে নিশ্চিত ও দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করা। প্রভুত্ব, ইবাদত এবং নাম ও গুণাবলির ক্ষেত্রে আল্লাহর একত্বকে স্বীকার করা। আল্লাহর প্রতি ঈমান চারটি বিষয়কে শামিল করে:
১। আল্লাহ তা'আলার অস্তিত্বে নিশ্চিতভাবে বিশ্বাস করা।
২। আল্লাহর তা'আলার প্রভুত্বে বিশ্বাস স্থাপন করা।
৩। আল্লাহ তা'আলাই একমাত্র সত্য ইলাহ্ ও ইবাদতের যোগ্য এ বিশ্বাস রাখা।
৪। আল্লাহর নাম ও গুণাবলির উপর বিশ্বাস রাখা।
[৮] রসূলগণের প্রতি ঈমান চারটি বিষয়কে শামিল করে:
প্রথম: এ বিশ্বাস রাখা যে তাদের সকলের রিসালাত আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে আগত এবং সত্য। অতএব, কেউ কোন একজন রসূলের (আলাইহিমুস্ সালাম) রিসালাতকে অস্বীকার করলে সে যেন সকল নবীর রিসালাতকে অস্বীকার করলো।
দ্বিতীয়: আল্লাহ্ যে সকল নাবীর নাম উল্লেখ করেছেন তাদের প্রতি ঈমান আনা। যেমন: মুহাম্মাদ, ইব্রাহীম, মূসা, ঈসা এবং নূহ আলাইহিমুস্ সালাম। আর যে সকল নবীর নাম আমরা জানি না তাদের প্রতি সংক্ষিপ্ত বা মৌলিক ভাবে ঈমান আনতে হবে।
তৃতীয়: রসূলগণের বিশুদ্ধ সংবাদগুলোকে সত্যায়ণ করা।
চতুর্থ: আমাদের নিকটে যে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রেরণ করা হয়েছে তার শরী'আত মোতাবেক আমল করা। তিনি হলেন সর্বোত্তম এবং শেষ নবী ও রাসুল মুহাম্মাদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
Last edited: