উত্তর: (১) খালেছভাবে মুখে কালেমায় শাহাদাত উচ্চারণ করে দীন ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা প্রদান করা,
(২) গোসল করে পবিত্রতা অর্জন করা।
(৩) ইসলাম পূর্ব কুফরীর জন্য অনুশোচনা করা,
(৪) আর কখনো দীন থেকে ফিরে না যাওয়ার দৃঢ় সংকল্প করা,
(৫) পুনরায় কুফরী কাজে প্রত্যাবর্তনকে অপছন্দ করা এবং জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হওয়াকে ভয় করা।
মহান আল্লাহ রাববুল আলামীন বলেন:
‘‘বলুন; তাদেরকে যারা কুফরী করেছে। যদি তারা (কুফরী থেকে) বিরত হয়, তাহলে অতীতে যা হয়েছে তা ক্ষমা করে দেওয়া হবে’’। (সূরা আল-আনফাল: ৩৮)
মুমিনগণ সর্বপ্রকার গুনাহ থেকে তওবা করে থাকে। মহান আল্লাহ রাববুল আলামীন বলেন:
‘‘হে মুমিনগণ ! তোমরা আল্লাহর নিকট তওবা কর; বিশুদ্ধ তওবা’’।[1]
মুমিন বান্দাগণ গুনাহ কত ছোট বা ক্ষুদ্র হলো সে দিকে দৃষ্টি দেয় না বরং যার গুনাহ (নাফরমানী) করা হয়েছে তাঁর মহত্বের দিকে লক্ষ্য দিয়ে থাকে। মহান আল্লাহ বলেন:
‘‘(৪৯) জানিয়ে দিন আমার বান্দাদেরকে আমি সর্বময় ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (৫০) আর আমার আযাব সে তো সর্বাধিক কষ্টকর মর্মান্তিক শাস্তি’’। (সূরা আল-হিজর)
নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
‘‘তোমরা ছোট-খাটো গুনাহর ব্যাপারে সাবধান থাকবে, কেননা কারো ক্ষুদ্র গুনাহসমূহ জমা হয়ে তাকে হালাক (ধ্বংস) করে দিতে পারে’’। (মুসনাদে আহমাদ ৬/৩৬৭, নং ৩৮১৭)[2]
(২) গোসল করে পবিত্রতা অর্জন করা।
(৩) ইসলাম পূর্ব কুফরীর জন্য অনুশোচনা করা,
(৪) আর কখনো দীন থেকে ফিরে না যাওয়ার দৃঢ় সংকল্প করা,
(৫) পুনরায় কুফরী কাজে প্রত্যাবর্তনকে অপছন্দ করা এবং জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হওয়াকে ভয় করা।
মহান আল্লাহ রাববুল আলামীন বলেন:
قُل لِّلَّذِينَ كَفَرُوٓاْ إِن يَنتَهُواْ يُغۡفَرۡ لَهُم مَّا قَدۡ سَلَفَ [الانفال: ٣٨]
‘‘বলুন; তাদেরকে যারা কুফরী করেছে। যদি তারা (কুফরী থেকে) বিরত হয়, তাহলে অতীতে যা হয়েছে তা ক্ষমা করে দেওয়া হবে’’। (সূরা আল-আনফাল: ৩৮)
মুমিনগণ সর্বপ্রকার গুনাহ থেকে তওবা করে থাকে। মহান আল্লাহ রাববুল আলামীন বলেন:
يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ تُوبُوٓاْ إِلَى ٱللَّهِ تَوۡبَةٗ نَّصُوحًا [التحريم: ٨]
‘‘হে মুমিনগণ ! তোমরা আল্লাহর নিকট তওবা কর; বিশুদ্ধ তওবা’’।[1]
মুমিন বান্দাগণ গুনাহ কত ছোট বা ক্ষুদ্র হলো সে দিকে দৃষ্টি দেয় না বরং যার গুনাহ (নাফরমানী) করা হয়েছে তাঁর মহত্বের দিকে লক্ষ্য দিয়ে থাকে। মহান আল্লাহ বলেন:
۞نَبِّئۡ عِبَادِيٓ أَنِّيٓ أَنَا ٱلۡغَفُورُ ٱلرَّحِيمُ ٤٩ وَأَنَّ عَذَابِي هُوَ ٱلۡعَذَابُ ٱلۡأَلِيمُ ٥٠ [الحجر: ٤٩، ٥٠]
‘‘(৪৯) জানিয়ে দিন আমার বান্দাদেরকে আমি সর্বময় ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (৫০) আর আমার আযাব সে তো সর্বাধিক কষ্টকর মর্মান্তিক শাস্তি’’। (সূরা আল-হিজর)
নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
«إِيَّاكُمْ وَمُحَقَّرَاتِ الذُّنُوبِ، فَإِنَّهُنَّ يَجْتَمِعْنَ عَلَى الرَّجُلِ حَتَّى يُهْلِكْنَهُ»
‘‘তোমরা ছোট-খাটো গুনাহর ব্যাপারে সাবধান থাকবে, কেননা কারো ক্ষুদ্র গুনাহসমূহ জমা হয়ে তাকে হালাক (ধ্বংস) করে দিতে পারে’’। (মুসনাদে আহমাদ ৬/৩৬৭, নং ৩৮১৭)[2]
[1] সুরা আত-তাহরীম : ৮।
[2] উরিদু আন আতুবা অলাকিন’ মুহাম্মাদ আল- মুনাজ্জি পৃষ্ঠা; ৮. ৯। প্রথম প্রকাশ