Inquisitive
Q&A Master
Salafi User
- Joined
- Feb 23, 2023
- Threads
- 367
- Comments
- 419
- Reactions
- 2,148
- Thread Author
- #1
প্রশ্ন: কেউ যদি মনে করে, যাদু বা বাটি চালান ছাড়া সুস্থ হওয়া সম্ভব নয় এবং বোঝানোর পরও এই বিশ্বাসে অটল থাকে তাহলে সে কি কাফের হয়ে যাবে? তাকে কি আমরা কাফের বলতে পারি?
উত্তর: ইসলামি শরিয়তে যাদু করা বা করানো (বাটি চালান বা অন্যান্য পদ্ধতি অবলম্বন করে) শুধু হারাম এবং কবিরা গুনাহ নয় বরং কুফরি পর্যায়ের ভয়াবহ গুনাহ।
কেউ এটাকে জেনে বুঝে হালাল মনে করলে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।
আল্লাহ তাআলা বলেন—
"তারা কাউকে শিক্ষা দিত না যতক্ষণ না বলে দিত, 'আমরা তো এক পরীক্ষা মাত্র। অতএব তুমি কুফরি করো না।'" [সূরা বাকারা, ২:১০২]
এই আয়াত থেকে বোঝা যায় যে, যাদু শিক্ষা করা বা এর প্রতি বিশ্বাস রাখা কুফরির শামিল।
হাদিস থেকে প্রমাণ:
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন—
"সাতটি ধ্বংসকারী জিনিস থেকে বেঁচে থাকো: (১) আল্লাহর সাথে শিরক করা, (২) যাদু করা…" [সহিহ বুখারি: ২৭৬৬, সহিহ মুসলিম: ৮৯]
এই হাদিস প্রমাণ করে, যাদু করা মহাপাপ এবং ধ্বংসের কারণ।
যদি কেউ বিশ্বাস করে যে, শুধুমাত্র যাদুর মাধ্যমেই সুস্থ হওয়া সম্ভব এবং এটাকে একমাত্র সমাধান মনে করে, তাহলে এটি তার ঈমানের জন্য ভয়ানক হতে পারে। তবে তার অবস্থার ওপর নির্ভর করে ফতোয়া দেওয়া হবে:
১. যদি কেউ মনে করে যাদু করা হারাম, কিন্তু অসহায় হয়ে করায় তাহলে সে গুনাহগার হবে কিন্তু কাফের হবে না।
২. যদি কেউ বিশ্বাস করে যে, যাদু ছাড়া কোনো সমাধান নেই এবং আল্লাহর ওপর ভরসা না রেখে এটি জরুরি মনে করে, তাহলে তার ঈমান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা আছে।
৩. যদি কেউ বোঝানোর পরও বলে, যাদু ছাড়া সম্ভব নয় এবং এটা বৈধ মনে করে, তাহলে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।
কারো মধ্যে কুফরি মূলকবিষয় থাকার পরেও সাধারণ মানুষের উচিত নয়, কাউকে কাফের বলে হুকুম লাগানো। তবে বিজ্ঞ আলেমগণ তার ব্যাপারে সবকিছু জেনে কাফের হওয়ার যাবতীয় কারণ পাওয়া যাওয়া এবং এ ক্ষেত্রে কোন প্রতিবন্ধকতা না থাকার শর্তে কোন ব্যক্তি কাফের কিনা সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দিতে পারেন। তবে কাফের হওয়া-না হওয়ার বিষয়টি ইসলামি আদালত কর্তৃক ঘোষিত হওয়া উচিত নিরাপদ।
আল্লাহু আলাম।
উত্তর: ইসলামি শরিয়তে যাদু করা বা করানো (বাটি চালান বা অন্যান্য পদ্ধতি অবলম্বন করে) শুধু হারাম এবং কবিরা গুনাহ নয় বরং কুফরি পর্যায়ের ভয়াবহ গুনাহ।
কেউ এটাকে জেনে বুঝে হালাল মনে করলে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।
আল্লাহ তাআলা বলেন—
وَمَا يُعَلِّمَانِ مِنْ أَحَدٍ حَتَّىٰ يَقُولَا إِنَّمَا نَحْنُ فِتْنَةٌ فَلَا تَكْفُرْ
"তারা কাউকে শিক্ষা দিত না যতক্ষণ না বলে দিত, 'আমরা তো এক পরীক্ষা মাত্র। অতএব তুমি কুফরি করো না।'" [সূরা বাকারা, ২:১০২]
এই আয়াত থেকে বোঝা যায় যে, যাদু শিক্ষা করা বা এর প্রতি বিশ্বাস রাখা কুফরির শামিল।
হাদিস থেকে প্রমাণ:
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন—
اجتنبوا السبع الموبقات: الشرك بالله، والسحر...
"সাতটি ধ্বংসকারী জিনিস থেকে বেঁচে থাকো: (১) আল্লাহর সাথে শিরক করা, (২) যাদু করা…" [সহিহ বুখারি: ২৭৬৬, সহিহ মুসলিম: ৮৯]
এই হাদিস প্রমাণ করে, যাদু করা মহাপাপ এবং ধ্বংসের কারণ।
কেউ যদি মনে করে, যাদু ছাড়া সুস্থ হওয়া সম্ভব নয়?
যদি কেউ বিশ্বাস করে যে, শুধুমাত্র যাদুর মাধ্যমেই সুস্থ হওয়া সম্ভব এবং এটাকে একমাত্র সমাধান মনে করে, তাহলে এটি তার ঈমানের জন্য ভয়ানক হতে পারে। তবে তার অবস্থার ওপর নির্ভর করে ফতোয়া দেওয়া হবে:
১. যদি কেউ মনে করে যাদু করা হারাম, কিন্তু অসহায় হয়ে করায় তাহলে সে গুনাহগার হবে কিন্তু কাফের হবে না।
২. যদি কেউ বিশ্বাস করে যে, যাদু ছাড়া কোনো সমাধান নেই এবং আল্লাহর ওপর ভরসা না রেখে এটি জরুরি মনে করে, তাহলে তার ঈমান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা আছে।
৩. যদি কেউ বোঝানোর পরও বলে, যাদু ছাড়া সম্ভব নয় এবং এটা বৈধ মনে করে, তাহলে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।
কারো মধ্যে কুফরি মূলকবিষয় থাকার পরেও সাধারণ মানুষের উচিত নয়, কাউকে কাফের বলে হুকুম লাগানো। তবে বিজ্ঞ আলেমগণ তার ব্যাপারে সবকিছু জেনে কাফের হওয়ার যাবতীয় কারণ পাওয়া যাওয়া এবং এ ক্ষেত্রে কোন প্রতিবন্ধকতা না থাকার শর্তে কোন ব্যক্তি কাফের কিনা সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দিতে পারেন। তবে কাফের হওয়া-না হওয়ার বিষয়টি ইসলামি আদালত কর্তৃক ঘোষিত হওয়া উচিত নিরাপদ।
আল্লাহু আলাম।
- আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
Last edited by a moderator: