উত্তর: ফিকাহর বিধান হচ্ছে; দীন ইসলামকে দলীল প্রমাণ সহ জানা ও বুঝা। আরো যা জানা যাবে তা হচ্ছে যে, দীনের সাথে সম্পর্কহীন বিষয়বস্তু, দীনকে যে সব বিষয় ত্রুটিপূর্ণ করে এবং দীনকে দুর্বল করে দেয় তাও স্পষ্ট হবে। দীনকে এভাবে জানা সকল মুসলিম বান্দার ওয়াজিব এবং অপরিহার্য; কেননা তা ব্যতীত আল্লাহর বান্দারা সুষ্ঠু সুন্দর ও নির্ভুলভাবে দৃঢ় চিত্তে ইবাদাত করতে সক্ষম হবে না। আর তারই দ্বারা কেবল বিপদ-আপদ ও ফিতনার মোকাবেলায় ধৈর্য ধারণ করে দীনের উপর সুদৃঢ়ভাবে টিকে থাকতে সক্ষম হয়। যারা জেনে-বুঝে ইসলামকে কবুল করেছে। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন:
‘‘কতক লোক বলে, আমরা আল্লাহর উপর ঈমান স্থাপন করেছি; কিন্তু আল্লাহর পথে যখন তারা নির্যাতিত হয়, তখন তারা মানুষের নির্যাতনকে আল্লাহর আযাবের মত মনে করে’’। (সূরা আল-আনকাবূত: ১০)
সুতরাং দীনকে এমনভাবে বুঝে নিতে হবে যেন, আল্লাহ ও রাসুলের হুকুম-বিধান পালনের সময় বিপদ-আপদ এমনকি সব রকম ফিতনা-ফাসাদের সময় ঈমানের বিপর্যয় না ঘটে। বরং সর্বাবস্থায় আল্লাহর বিধান অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে হবে এবং তাঁর বিধানের পরিপন্থী কার্যকলাপ থেকে নিরাপদ দুরত্ব বজায় রাখতে হবে।[1]
আল-ফিকহুল আকবার বা সর্বোচ্চ ফিকহ হচ্ছে: শরীয়তের দাবী অনুযায়ী বিশুদ্ধ আকীদা-বিশ্বাসকে জানা।
وَمِنَ ٱلنَّاسِ مَن يَقُولُ ءَامَنَّا بِٱللَّهِ فَإِذَآ أُوذِيَ فِي ٱللَّهِ جَعَلَ فِتۡنَةَ ٱلنَّاسِ كَعَذَابِ ٱللَّهِۖ [العنكبوت: ١٠]
‘‘কতক লোক বলে, আমরা আল্লাহর উপর ঈমান স্থাপন করেছি; কিন্তু আল্লাহর পথে যখন তারা নির্যাতিত হয়, তখন তারা মানুষের নির্যাতনকে আল্লাহর আযাবের মত মনে করে’’। (সূরা আল-আনকাবূত: ১০)
সুতরাং দীনকে এমনভাবে বুঝে নিতে হবে যেন, আল্লাহ ও রাসুলের হুকুম-বিধান পালনের সময় বিপদ-আপদ এমনকি সব রকম ফিতনা-ফাসাদের সময় ঈমানের বিপর্যয় না ঘটে। বরং সর্বাবস্থায় আল্লাহর বিধান অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে হবে এবং তাঁর বিধানের পরিপন্থী কার্যকলাপ থেকে নিরাপদ দুরত্ব বজায় রাখতে হবে।[1]
আল-ফিকহুল আকবার বা সর্বোচ্চ ফিকহ হচ্ছে: শরীয়তের দাবী অনুযায়ী বিশুদ্ধ আকীদা-বিশ্বাসকে জানা।
[1] (আল-ফিকহ ফিদদীন ঈসমাতুন মিনাল ফিতান, ড: সলেহ আল-ফাউযান, পৃষ্টা নং-১২, প্রথম প্রকাশ ১৪১৮ হিজরী)।