উত্তর: হ্যাঁ; কুফরী। মহান আল্লাহ বলেন:
‘‘আর তারা যদি তাওবা করে, সালাত কায়েম করে এবং যাকাত আদায় করে, তাহলে তারা তোমাদের দ্বীনি ভাই’’। (সূরা আত-তাওবাহ: ১১)
আল্লাহ আরো বলেন:
‘‘কিন্তু যদি তারা তওবা করে, সালাত কায়েম করে, যাকাত আদায় করে, তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও’’। (সূরা আত-তাওবাহ: ৫)
অনুরূপ সূরা আল-মুদ্দাসসিরের ৪২ ও ৪৩ নং আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন:
‘‘(৪২) তোমাদেরকে কি জন্য সাক্কার নামক জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হয়েছে? (৪৩) তারা বলবে: আমরা সালাত আদায়কারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না’’।
فَإِن تَابُواْ وَأَقَامُواْ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتَوُاْ ٱلزَّكَوٰةَ فَإِخۡوَٰنُكُمۡ فِي ٱلدِّينِۗ [التوبة: ١١]
‘‘আর তারা যদি তাওবা করে, সালাত কায়েম করে এবং যাকাত আদায় করে, তাহলে তারা তোমাদের দ্বীনি ভাই’’। (সূরা আত-তাওবাহ: ১১)
আল্লাহ আরো বলেন:
فَإِن تَابُواْ وَأَقَامُواْ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتَوُاْ ٱلزَّكَوٰةَ فَخَلُّواْ سَبِيلَهُمۡۚ [التوبة: ٥]
‘‘কিন্তু যদি তারা তওবা করে, সালাত কায়েম করে, যাকাত আদায় করে, তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও’’। (সূরা আত-তাওবাহ: ৫)
অনুরূপ সূরা আল-মুদ্দাসসিরের ৪২ ও ৪৩ নং আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন:
مَا سَلَكَكُمۡ فِي سَقَرَ ٤٢ قَالُواْ لَمۡ نَكُ مِنَ ٱلۡمُصَلِّينَ ٤٣ [المدثر: ٤٢، ٤٣]
‘‘(৪২) তোমাদেরকে কি জন্য সাক্কার নামক জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হয়েছে? (৪৩) তারা বলবে: আমরা সালাত আদায়কারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না’’।