A
Anonymous User
Guest
- Thread Author
- #1
প্রশ্ন: আমার মা চেয়ারে বসে হালকা ঝুঁকে হাতের ওপর সিজদা দেন। এতে কি তার সালাত শুদ্ধ হবে? আর ইশারায় কিভাবে সালাত আদায় করতে হয়?
উত্তর: কিয়াম (দাঁড়ানো) রুকু, সেজদা-এগুলো সালাতের রোকন। তাই সামর্থ থাকলে এগুলো যথানিয়মে সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে হবে। কিন্তু অসুস্থতা বা বয়োবৃদ্ধ হওয়ার কারণে কেউ এগুলোর কোনটি সঠিকভাবে আদায় করতে সক্ষম না হলে ইসলাম তার জন্য সহজ বিধান দিয়েছে। তা হল, সালাতে দাঁড়াতে সক্ষম না হলে বসে সালাত আদায় করবে। যেমন ইমরান বিন হুসাইন রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সা. বলেন:
সুতরাং কেউ দাঁড়াতে না পারলে বসে সালাত আদায় করবে। ইচ্ছা করলে চেয়ার, খাট বা কোন বস্তুর উপর বসতে পারে। আবার ইচ্ছে করলে মাটিতেও বসতে পারে। ইসলাম মাটিতে বসাকে আবশ্যক করে নি।
রোগী যেখানেই বসুক রুকু সেজদাগুলো ইশারায় করবে। সামনে বালিশ, টেবিল বা অন্য কোন বস্তু রাখা যাবে না। হাতের উপরও সেজদা করা যাবেে না। কেননা, হাদীসে এ মর্মে নিষেধাজ্ঞা বর্ণিত হয়েছে।
জাবির রা. হতে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক রোগীকে দেখা-শোনা করতে গেলে দেখেলেন সে ব্যক্তি বালিশের উপর সেজদা করছে। তখন তিনি সেটা নিয়ে ফেলে দিলেন। তারপর সে ব্যক্তি একখণ্ড কাঠ নিয়ে তার উপর সেজাদা করলে তিনি সেটা নিয়েও ফেলে দিলেন এবং বললেন:
আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রা. এর বর্ণনায় রয়েছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বালিশের উপর সেজদা করতে নিষেধ করেছেন।
এ মর্মে আরও একাধিক হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
ইশারায় রুকু-সেজদা করার পদ্ধতি:
ইশারায় সেজদা করার পদ্ধতি হল, রুকু করার সময় দু হাত হাঁটুর উপর রাখবে। তাপর মাথা সামনের দিকে কিছুটা ঝুঁকিয়ে রুকুর তাসবীহ পাঠ করবে। তারপর রুকু থেকে উঠে পূণরায় দু হাত হাঁটুতে রেখে রুকুতে যে পরিমান মাথা ঝুঁকিয়েছিলো সেজদায় তার চেয়ে বেশি মাথাটা সামনের দিকে ঝুঁকাবে এবং সেজদার দুআ পাঠ করবে।
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানী
উত্তর: কিয়াম (দাঁড়ানো) রুকু, সেজদা-এগুলো সালাতের রোকন। তাই সামর্থ থাকলে এগুলো যথানিয়মে সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে হবে। কিন্তু অসুস্থতা বা বয়োবৃদ্ধ হওয়ার কারণে কেউ এগুলোর কোনটি সঠিকভাবে আদায় করতে সক্ষম না হলে ইসলাম তার জন্য সহজ বিধান দিয়েছে। তা হল, সালাতে দাঁড়াতে সক্ষম না হলে বসে সালাত আদায় করবে। যেমন ইমরান বিন হুসাইন রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সা. বলেন:
صَلِّ قَائِمًا فَإِنْ لَمْ تَسْتَطِعْ فَقَاعِدًا فَإِنْ لَمْ تَسْتَطِعْ فَعَلَى جَنْبٍ- رواه البخاري
“দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করো। যদি দাঁড়াতে সক্ষম না হও তবে বসে আদায় করো। আর যদি তাও সম্ভব না হয় তবে শুয়ে আদায় করো।” (সহীহ বুখারী, হা/১০৬৬)সুতরাং কেউ দাঁড়াতে না পারলে বসে সালাত আদায় করবে। ইচ্ছা করলে চেয়ার, খাট বা কোন বস্তুর উপর বসতে পারে। আবার ইচ্ছে করলে মাটিতেও বসতে পারে। ইসলাম মাটিতে বসাকে আবশ্যক করে নি।
রোগী যেখানেই বসুক রুকু সেজদাগুলো ইশারায় করবে। সামনে বালিশ, টেবিল বা অন্য কোন বস্তু রাখা যাবে না। হাতের উপরও সেজদা করা যাবেে না। কেননা, হাদীসে এ মর্মে নিষেধাজ্ঞা বর্ণিত হয়েছে।
জাবির রা. হতে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক রোগীকে দেখা-শোনা করতে গেলে দেখেলেন সে ব্যক্তি বালিশের উপর সেজদা করছে। তখন তিনি সেটা নিয়ে ফেলে দিলেন। তারপর সে ব্যক্তি একখণ্ড কাঠ নিয়ে তার উপর সেজাদা করলে তিনি সেটা নিয়েও ফেলে দিলেন এবং বললেন:
صلِّ على الأرضِ إن استطعت ، وإلا فأوم إيماءً ، واجعل سجودَك أخفضَ من ركوعِك
“যদি পারো মাটিতে স্বালাত আদায় করবে অন্যথায় ইশার করবে। আর সেজদাকে রুকু থেকে বেশি নিচু করবে।” (সিলসিলা সহীহাহ/ হা/৩২৩) আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রা. এর বর্ণনায় রয়েছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বালিশের উপর সেজদা করতে নিষেধ করেছেন।
এ মর্মে আরও একাধিক হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
ইশারায় রুকু-সেজদা করার পদ্ধতি:
ইশারায় সেজদা করার পদ্ধতি হল, রুকু করার সময় দু হাত হাঁটুর উপর রাখবে। তাপর মাথা সামনের দিকে কিছুটা ঝুঁকিয়ে রুকুর তাসবীহ পাঠ করবে। তারপর রুকু থেকে উঠে পূণরায় দু হাত হাঁটুতে রেখে রুকুতে যে পরিমান মাথা ঝুঁকিয়েছিলো সেজদায় তার চেয়ে বেশি মাথাটা সামনের দিকে ঝুঁকাবে এবং সেজদার দুআ পাঠ করবে।
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানী